অর্থনৈতিক সংকটের মুখে চিন: জিডিপি বৃদ্ধির নয়া লক্ষ্যমাত্রা নির্ধারণ

বিশ্ব অর্থনীতির অন্যতম চালিকাশক্তি চিনের প্রবৃদ্ধি গত তিন দশকের মধ্যে সর্বনিম্ন পর্যায়ে পৌঁছেছে। পরিস্থিতির মোকাবিলায় বেইজিং ২০২৬ সালের জন্য ৪.৫ থেকে ৫ শতাংশ জিডিপি বৃদ্ধির লক্ষ্যমাত্রা নির্ধারণ করেছে। দীর্ঘদিনের রপ্তানি ও উৎপাদন-নির্ভর মডেল থেকে সরে এসে এবার প্রযুক্তি, উদ্ভাবন এবং অভ্যন্তরীণ চাহিদাকে অর্থনীতির মূল ভিত্তি করার পরিকল্পনা নিয়েছে চিন। ন্যাশনাল পিউপলস কংগ্রেসের অধিবেশনে পেশ করা পঞ্চবার্ষিক খসড়া পরিকল্পনায় এই রূপরেখার ওপর জোর দেওয়া হয়েছে।
রিয়েল এস্টেট খাতের মন্দা ও মুদ্রাস্ফীতির মতো জটিল চ্যালেঞ্জ মোকাবিলায় কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা ও সেমিকন্ডাক্টরের মতো উচ্চ প্রযুক্তিনির্ভর শিল্পের ওপর বাজি ধরছে শি জিনপিংয়ের সরকার। তবে বিশেষজ্ঞদের মতে, এই রূপান্তর সহজ হবে না। ঐতিহ্যবাহী শ্রমনির্ভর শিল্পে কর্মসংস্থান হ্রাস পাওয়ার আশঙ্কা এবং অভ্যন্তরীণ বাজারের দুর্বলতা চিনের ভবিষ্যতের স্থিতিশীলতাকে বড় প্রশ্নের মুখে ফেলেছে। বিশ্ব অর্থনীতির ওপর এর সম্ভাব্য প্রভাব নিয়েও সতর্কবার্তা দিয়েছেন বিশ্লেষকরা।