মোবাইল অ্যাপেই মিলছে গৃহপরিচারিকা, শহুরে জীবনে ঘরোয়া সমস্যার ডিজিটাল সমাধান
.jpeg.webp?w=1200&resize=1200,800&ssl=1)
নয়ডার শিবানী মাথুরের মতো আধুনিক নগরবাসীর কাছে গৃহপরিচারিকার হঠাৎ ছুটি এখন আর উদ্বেগের কারণ নয়। ‘অন-ডিমান্ড’ সার্ভিস অ্যাপের মাধ্যমে মাত্র ১০-১৫ মিনিটের ব্যবধানে দোরগোড়ায় পৌঁছে যাচ্ছেন দক্ষ কর্মী। ঘর পরিষ্কার, বাসন মাজা থেকে শুরু করে রান্নার প্রস্তুতি—সবই সম্পন্ন হচ্ছে দ্রুততার সঙ্গে। ডিজিটাল ভারতের এই নতুন সংযোজন গৃহস্থালির দৈনন্দিন ঝক্কি সামলাতে এক ম্যাজিক টুল বা ‘আলাদিনের জিন’ হিসেবে জনপ্রিয় হয়ে উঠছে।
বর্তমানে দিল্লি, মুম্বই ও বেঙ্গালুরুর মতো শহরগুলোতে এই পরিষেবার চাহিদা তুঙ্গে। সংস্থাগুলো গিগ ইকোনমির মডেলে নথিপত্র যাচাইকৃত কর্মীদের মাধ্যমে পরিষেবা দিচ্ছে। গ্রাহকরা ঘণ্টা প্রতি মাত্র ৫০ থেকে ১০০ টাকার বিনিময়ে এই সুবিধা পাচ্ছেন। অন্যদিকে, কর্মীরাও প্রথাগত কাজের চেয়ে বেশি স্বাধীনতা ও মাসে ২২ থেকে ৩০ হাজার টাকা পর্যন্ত উপার্জনের সুযোগ পাচ্ছেন। নির্দিষ্ট পোশাক ও পেশাদারিত্ব এই পেশায় নিযুক্ত মহিলাদের সামাজিক সম্মানও বৃদ্ধি করছে।
সাফল্যের পাশাপাশি এই মডেলে কিছু ব্যবসায়িক চ্যালেঞ্জও রয়েছে। বর্তমানে অধিকাংশ স্টার্টআপ বিনিয়োগকারীদের ভর্তুকিতে সস্তায় পরিষেবা দিলেও, অনেক সংস্থাই এখনো লোকসানের সম্মুখীন। বিশেষজ্ঞরা মনে করছেন, বাজার দখলের প্রাথমিক পর্যায়ে ছাড়ের ছড়াছড়ি থাকলেও ভবিষ্যতে পরিষেবার খরচ বাড়তে পারে। তবুও তাৎক্ষণিক সমাধান ও নির্ভরযোগ্যতার কারণে শহুরে মধ্যবিত্তের জীবনযাত্রায় এই ডিজিটাল পরিষেবা এক স্থায়ী পরিবর্তনের ইঙ্গিত দিচ্ছে।