সানস্ক্রিন ব্যবহারের সঠিক নিয়ম: সামান্য ভুলেই হতে পারে ত্বকের মারাত্মক ক্ষতি

ত্বকের সুরক্ষা ও উজ্জ্বলতা বজায় রাখতে সানস্ক্রিন অপরিহার্য হলেও এর ভুল প্রয়োগে হিতে বিপরীত হতে পারে। বিশেষজ্ঞরা বলছেন, অনেকেই অপর্যাপ্ত পরিমাণে সানস্ক্রিন ব্যবহার করেন, যা অতিবেগুনি রশ্মি প্রতিরোধে ব্যর্থ হয়। সঠিক সুরক্ষার জন্য ‘টু ফিঙ্গার রুল’ বা তর্জনী ও মধ্যমার দৈর্ঘ্য বরাবর সানস্ক্রিন নিয়ে মুখ ও গলায় মাখা জরুরি। অন্যথায় অকাল বার্ধক্য ও ট্যান পড়ার ঝুঁকি থেকে যায়।
দ্বিতীয়ত, একবার সানস্ক্রিন মেখেই সারাদিন নিশ্চিন্ত থাকা বড় ভুল। ঘাম ও ধুলোবালির কারণে এর কার্যকারিতা দুই-তিন ঘণ্টার বেশি থাকে না, তাই প্রতি চার ঘণ্টা অন্তর পুনরায় এটি লাগানো প্রয়োজন। এমনকি বাড়ির ভেতরে থাকলেও জানলার রোদ বা ডিভাইসের নীল আলো থেকে বাঁচতে সানস্ক্রিন ব্যবহার করা উচিত। নিয়মিত বিরতিতে এটি ব্যবহার না করলে সানবার্ন বা পিগমেন্টেশনের সমস্যা দেখা দিতে পারে।
পরিশেষে, আকাশ মেঘলা থাকলেও সানস্ক্রিন এড়িয়ে চলা অনুচিত। কারণ মেঘ ভেদ করেও ক্ষতিকারক রশ্মি ত্বকে পৌঁছাতে সক্ষম। সংবেদনশীল ত্বকের ক্ষেত্রে এসপিএফ ৩০-এর বেশি মাত্রার সানস্ক্রিন বেছে নেওয়া শ্রেয়। শুধুমাত্র দামি প্রসাধন নয়, বরং মেঘলা দিনেও সঠিক নিয়ম ও পর্যাপ্ত পরিমাণ মেনে চললে তবেই মিলবে কাঙ্ক্ষিত ফল। সুস্থ ত্বকের জন্য এই সাধারণ সতর্কতাগুলো মেনে চলা একান্ত প্রয়োজন।