আক্রমণ নয় তবে আত্মরক্ষায় অনড় ইরান, আরব দুনিয়ায় তুঙ্গে উত্তেজনা
.jpg.webp?w=1200&resize=1200,800&ssl=1)
আমেরিকা ও ইজরায়েলের যৌথ হামলায় সর্বোচ্চ নেতা আয়াতোল্লা আলি খামেনেইসহ শীর্ষ নেতৃত্বের মৃত্যুর পর ইরান ও আরব দুনিয়ায় উত্তেজনা চরমে পৌঁছেছে। উদ্ভূত পরিস্থিতিতে ইরানের প্রেসিডেন্ট মাসুদ পেজেশকিয়ান প্রতিবেশী দেশগুলোর কাছে ক্ষমা চেয়ে সংঘাত কমানোর বার্তা দিয়েছেন। তিনি স্পষ্ট করেছেন, প্রতিবেশী দেশগুলোর মাটি ব্যবহার করে ইরানের ওপর হামলা না হলে তেহরান নিজে থেকে কোনো আক্রমণ চালাবে না। পারস্পরিক সম্মান ও ভৌগোলিক অখণ্ডতা বজায় রাখাই এখন তাঁদের মূল লক্ষ্য।
তবে শান্তিবার্তার কয়েক ঘণ্টার মধ্যেই সুর বদলেছে তেহরান। প্রেসিডেন্ট পেজেশকিয়ান সামাজিক মাধ্যমে জানিয়েছেন, ইরান কোনোভাবেই আমেরিকা বা ইজরায়েলের কাছে আত্মসমর্পণ করবে না। দেশের সার্বভৌমত্ব রক্ষায় এবং সামরিক হামলার মোকাবিলায় ইরানের পূর্ণ আত্মরক্ষার অধিকার রয়েছে। তেহরানের দাবি, তাঁদের সাম্প্রতিক অভিযানগুলো কেবল সেই সব বিদেশি সামরিক ঘাঁটি লক্ষ্য করে চালানো হয়েছে, যেখান থেকে ইরানের ওপর হানা দেওয়া হয়েছিল।
বর্তমানে পশ্চিম এশিয়ায় এক অস্থির ও অনিশ্চিত পরিবেশ বিরাজ করছে। ইরানের ক্ষেপণাস্ত্র ও ড্রোন হামলার লক্ষ্যবস্তু হয়েছে কাতার, বাহরিন ও সৌদি আরবে অবস্থিত মার্কিন ঘাঁটিগুলো। এই সংঘাতের ফলে ইতিমদ্যে শতাধিক মানুষের মৃত্যু হয়েছে এবং আকাশসীমা বন্ধ থাকায় বাতিল হয়েছে হাজার হাজার বিমান। বিশ্লেষকদের মতে, ইরান উত্তেজনা কমানোর ইঙ্গিত দিলেও তাদের কঠোর অবস্থান এবং পাল্টা হামলার সম্ভাবনা মধ্যপ্রাচ্যের সংকটকে আরও ঘনীভূত করছে।