আহমেদাবাদে ইতিহাস বদলানোর হাতছানি, সূর্যরুণ সেনার সামনে শুধুই কি ভারত?

টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপের ফাইনালে আহমেদাবাদের নরেন্দ্র মোদী স্টেডিয়ামে নিউজিল্যান্ডের মুখোমুখি হতে চলেছে টিম ইন্ডিয়া। তবে ক্রিকেটীয় বিশ্লেষকদের মতে, কিউইরা নয়, বরং ভারতের প্রধান প্রতিপক্ষ ভারত নিজেই। দেড় লক্ষ দর্শকের গর্জন আর কোটি কোটি মানুষের প্রত্যাশার চাপ সামলে গত বিশ্বকাপের দুঃসহ স্মৃতি মুছতে মরিয়া সূর্যকুমার যাদবের নেতৃত্বাধীন এই তরুণ ব্রিগেড। স্যান্টনারের দল বরাবরই ‘লো প্রোফাইল’ হলেও ফাইনালে তাদের হালকাভাবে নেওয়ার সুযোগ নেই, যদিও ক্রিকেটপ্রেমীদের উন্মাদনা ভারতকে ঘিরেই।
কোচ গৌতম গম্ভীরের জমানায় দলে ব্যক্তিপূজার চেয়ে দলীয় সংহতিই বেশি গুরুত্ব পাচ্ছে। অধিনায়ক সূর্যকুমার যাদব জানিয়েছেন, দলে জুনিয়রদের পূর্ণ স্বাধীনতা দেওয়া হয়েছে, যা মাঠে তাদের বিধ্বংসী করে তুলছে। সঞ্জু স্যামসন বা তিলক ভার্মার মতো ক্রিকেটারদের ছোট কিন্তু কার্যকরী ইনিংসগুলোই এই টুর্নামেন্টে ভারতের সাফল্যের চাবিকাঠি। অভিষেক শর্মা বা বরুণ চক্রবর্তীর ফর্ম নিয়ে সামান্য উদ্বেগ থাকলেও সামগ্রিকভাবে দলের আত্মবিশ্বাস তুঙ্গে।
আড়াই বছর আগে আহমেদাবাদের মাঠেই বিশ্বকাপ ফাইনালে রোহিত-বিরাটের অশ্রুসিক্ত বিদায় দেখেছিল দেশ। সেই একই মাঠে দাঁড়িয়ে এবার ইতিহাস বদলানোর পালা সূর্যরুণ বাহিনীর। অভিজ্ঞতার চেয়ে তারুণ্যের তেজকে হাতিয়ার করে সবরমতী তীরে বিশ্বজয়ের স্বপ্ন দেখছে ভারত। শনিবার রাত পর্যন্ত দলের পরিবেশ ইতিবাচক; এখন শুধু রবিবারের মেগা ফাইনালে মাঠের লড়াইয়ে নিজেদের সেরাটা উজাড় করে দেওয়ার অপেক্ষা।