এলপিজি সংকট মোকাবিলায় কড়া পদক্ষেপ, জারি হলো অত্যাবশ্যকীয় পণ্য আইন

আরব বিশ্বের যুদ্ধ পরিস্থিতির কারণে এলপিজি সরবরাহ ব্যাহত হওয়ায় দেশজুড়ে জরুরি অবস্থা ঘোষণা করেছে কেন্দ্র। পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে ১৯৫৫ সালের অত্যাবশ্যকীয় পণ্য আইনের ৩ ধারা প্রয়োগ করে রান্নার গ্যাসের উৎপাদন ও বণ্টন ব্যবস্থার ওপর কড়া নিয়ন্ত্রণ জারি করা হয়েছে। বিশেষ করে হরমুজ প্রণালী দিয়ে আমদানি বাধাগ্রস্ত হওয়ায় মুম্বইসহ বিভিন্ন শহরে তীব্র জ্বালানি সংকট দেখা দিয়েছে, যার প্রভাব পড়েছে হোটেল-রেস্তোরাঁ শিল্পেও।
নতুন নির্দেশিকা অনুযায়ী, তেল কো ম্পা নিগুলোকে সর্বোচ্চ উৎপাদন বজায় রাখার নির্দেশ দেওয়া হয়েছে। কৃত্রিম সংকট রুখতে রান্নার গ্যাস বা জ্বালানি তেল অতিরিক্ত মজুত করা এখন দণ্ডনীয় অপরাধ হিসেবে গণ্য হবে। সরবরাহকারীরা নির্ধারিত মাত্রার বেশি মজুত করলে তাদের লাইসেন্স বাতিলের হুঁশিয়ারি দিয়েছে সরকার। আতঙ্কিত হয়ে সাধারণ মানুষকে বাড়তি মজুত না করার পরামর্শ দেওয়া হয়েছে এবং রাজ্য সরকারগুলিকেও এ বিষয়ে সক্রিয় হতে বলা হয়েছে।
জরুরি পরিষেবা নিশ্চিত করতে সরকার গ্যাস সরবরাহের ক্ষেত্রে বিশেষ অগ্রাধিকার তালিকা তৈরি করেছে। বাণিজ্যিক ও শিল্প গ্রাহকদের ক্ষেত্রে গত ছয় মাসের গড় ব্যবহারের সর্বোচ্চ ৮০ শতাংশ সরবরাহ নিশ্চিত করার লক্ষ্যমাত্রা নেওয়া হয়েছে। তবে পরিস্থিতির গুরুত্ব বিবেচনায় এই বরাদ্দ আরও ৩০ শতাংশ পর্যন্ত কমানোর ক্ষমতা নিজের হাতে রেখেছে কেন্দ্র। মূলত সমতাভিত্তিক বিপণন ব্যবস্থা বজায় রাখতেই এই কঠোর আইনি পদক্ষেপ গ্রহণ করা হয়েছে।