মধ্যপ্রাচ্যে এগারো দিনের যুদ্ধে আমেরিকা ও ইরান কার কতটা ক্ষতি হলো

আমেরিকা ও ইরানের মধ্যে চলমান ১১ দিনের যুদ্ধে দুই পক্ষই বড় ধরনের ক্ষয়ক্ষতির মুখে পড়েছে। যুদ্ধের মূল লক্ষ্য ছিল ইরানের পারমাণবিক ক্ষমতা ধ্বংস করা, তবে তেহরানের সব স্থাপনা এখনো অক্ষত রয়েছে। মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের প্রত্যাশার বিপরীতে ইরানে মোজতবা খামেনিকে নতুন সুপ্রিম লিডার ঘোষণা করা হয়েছে। এর মধ্যে হরমুজ প্রণালী বন্ধ করে দেওয়ায় বিশ্ববাজারে জ্বালানি তেলের দাম আকাশচুম্বী হয়েছে এবং ইরানকে বাগে আনতে হিমশিম খাচ্ছে ওয়াশিংটন।
পাল্টা আক্রমণে মার্কিন ঘাঁটিগুলোতে ইরানের ড্রোন ও ক্ষেপণাস্ত্র হামলায় সৌদি আরব, কুয়েত ও বাহরাইনে সেনা উপস্থিতি সংকুচিত করতে হয়েছে আমেরিকাকে। তেল আবিবে ব্যাপক ধ্বংসযজ্ঞের পাশাপাশি কাতারে মার্কিন রাডার সিস্টেম ও বেশ কিছু যুদ্ধবিমান ধ্বংস হয়েছে। অন্যদিকে, ইরানের রেভোলিউশনারি গার্ডের একাধিক সামরিক ঘাঁটি বিধ্বস্ত হওয়ায় দেশটির সামরিক সক্ষমতাও কমেছে। উভয় পক্ষের এই সংঘাত আঞ্চলিক স্থিতিশীলতাকে চরম হুমকির মুখে ঠেলে দিয়েছে।