সারাদিন শরীর নিস্তেজ আর ক্লান্তি পিছু ছাড়ছে না? অবহেলায় হারাতে পারে প্রাণ

দৈনন্দিন ব্যস্ততা কিংবা ঘুমের অভাব ভেবে অনেকেই শরীরে দীর্ঘস্থায়ী ক্লান্তি এড়িয়ে যান। চিকিৎসকদের মতে, এই অবহেলাই ডেকে আনতে পারে বড় বিপদ। হৃদস্পন্দন যদি স্বাভাবিকের চেয়ে ধীর হয়ে যায়, তবে হৃদপিণ্ড শরীরের প্রয়োজনীয় অঙ্গে পর্যাপ্ত অক্সিজেন সরবরাহ করতে পারে না। ডাক্তারি পরিভাষায় একে ব্র্যাডিকার্ডিয়া বলা হয়। যখন হৃদস্পন্দন প্রতি মিনিটে ৬০ বিট-এর নিচে নেমে আসে, তখন ক্লান্তি ছাড়াও শ্বাসকষ্ট, মাথা ঘোরা বা অজ্ঞান হয়ে যাওয়ার মতো গুরুতর উপসর্গ দেখা দিতে পারে।
শারীরিকভাবে সুস্থ ক্রীড়াবিদদের ক্ষেত্রে ধীর হৃদস্পন্দন স্বাভাবিক হলেও, সাধারণ মানুষের জন্য এটি উদ্বেগের। কার্ডিওলজিস্টদের মতে, এমন লক্ষণ দেখা দিলে দেরি না করে দ্রুত ইসিজি বা প্রয়োজনীয় পরীক্ষা করিয়ে বিশেষজ্ঞ চিকিৎসকের পরামর্শ নেওয়া জরুরি। সঠিক সময়ে শনাক্ত করা গেলে ওষুধ বা আধুনিক সীসাবিহীন পেসমেকার ব্যবহারের মাধ্যমে হৃদপিণ্ডের কার্যকারিতা স্বাভাবিক রেখে সুস্থ ও সচল জীবনযাপন করা সম্ভব। কোনো অবস্থাতেই নিয়মিত ক্লান্তি ও মাথা ঘোরার মতো সমস্যাগুলোকে সাধারণ মনে করে এড়িয়ে যাওয়া উচিত নয়।