নারী শক্তি বন্ধন অধিনিয়ম: ২০২৯-এর আগেই নারী সংরক্ষণে তৎপর কেন্দ্র

নারী শক্তি বন্ধন অধিনিয়ম: ২০২৯-এর আগেই নারী সংরক্ষণে তৎপর কেন্দ্র

২০২৯ সালের নির্ধারিত সময়ের আগেই সংসদ ও বিধানসভাগুলিতে এক-তৃতীয়াংশ নারী সংরক্ষণ কার্যকর করতে তৎপর হয়েছে কেন্দ্রীয় সরকার। ২০২৩ সালে পাশ হওয়া ‘নারী শক্তি বন্ধন অধিনিয়ম’ অনুযায়ী, জনগননা ও সীমানা পুনর্গঠন প্রক্রিয়ার পর এই আইন কার্যকর হওয়ার কথা ছিল। তবে সীমানা পুনর্গঠনে বিলম্বের আশঙ্কায় সরকার এখন পশ্চিমবঙ্গসহ পাঁচ রাজ্যের বিধানসভা নির্বাচনের পরেই এই সংরক্ষণ প্রক্রিয়া দ্রুত শুরু করতে চাইছে।

নতুন পরিকল্পনা অনুযায়ী, লোকসভা, রাজ্যসভা এবং বিধানসভা ও বিধান পরিষদগুলিতে নারীদের জন্য আসনগুলি এখনই চিহ্নিত করা হতে পারে। কোনো আসন শূন্য হলে সেটি নারী প্রার্থীদের জন্য বরাদ্দ করার কথা ভাবছে কেন্দ্র। এই প্রক্রিয়া ত্বরান্বিত করতে সরকার ইতিমধ্যে বিরোধী দলগুলোর সঙ্গে আলোচনা শুরু করেছে। রাজনৈতিক মহলের মতে, সীমানা পুনর্গঠনের জটিলতায় যাতে এই গুরুত্বপূর্ণ আইনি প্রক্রিয়া থমকে না যায়, সেই উদ্দেশ্যেই এই বিশেষ উদ্যোগ।

বিশ্লেষকদের একাংশ মনে করছেন, সরকারের এই আকস্মিক সক্রিয়তার নেপথ্যে ‘এক দেশ এক ভোট’ নীতি কার্যকর করার লক্ষ্য থাকতে পারে। ২০১৯ সাল থেকেই মোদী সরকার এই ব্যবস্থার ওপর জোর দিচ্ছে। বিরোধী দল এবং বিভিন্ন নারী সংগঠনগুলোও দীর্ঘদিন ধরে এই সংরক্ষণ দ্রুত কার্যকর করার দাবি জানিয়ে আসছে। ফলে জনগননা পরবর্তী জটিলতা এড়াতে পূর্ব ঘোষণা থেকে সরে এসে দ্রুত আইনটি প্রয়োগের পথেই হাঁটছে শীর্ষ মহল।

Leave a Comment

Your email address will not be published. Required fields are marked *