এক প্রয়োগেই খতম হবে ফসলের শত্রু গোদরেজের নতুন কিটনাশক টাকাই কৃষকদের মুখে হাসি ফোটাবে

এক প্রয়োগেই খতম হবে ফসলের শত্রু গোদরেজের নতুন কিটনাশক টাকাই কৃষকদের মুখে হাসি ফোটাবে

ধানসহ একাধিক ফসলের সুরক্ষায় অত্যাধুনিক প্রযুক্তির নতুন কীটনাশক ‘টাকাই’ বাজারে নিয়ে এল ভারতের অন্যতম শীর্ষ কৃষিভিত্তিক সংস্থা গোদরেজ এগ্রোভেট লিমিটেড। জাপানের ইশিহাড়া সংজ্ঞ কাইসা (আইএসকে)-র তৈরি বিশেষ ‘সিক্লাপরিন’ প্রযুক্তির ওপর ভিত্তি করে তৈরি এই কীটনাশকটি ধানের লেপিডোপ্টেরান শ্রেণির শুঁয়োপোকা জাতীয় পোকামাকড় দমনে অত্যন্ত কার্যকর।

ভারতের ‘রাইস বোল’ হিসেবে পরিচিত পশ্চিমবঙ্গে ধান চাষে ইয়েলো স্টেম বোরার ও লিফ ফোল্ডারের আক্রমণে প্রতি বছর প্রায় ২০ থেকে ৪০ শতাংশ ফলন নষ্ট হয়। একইভাবে ভুট্টা, সয়াবিন ও ছোলা চাষেও পোকামাকড় ব্যাপক ক্ষতি করে। কৃষকদের এই সমস্যা সমাধানেই ‘টাকাই’ বাজারে আনা হয়েছে। বর্তমানে ধান, ভুট্টা, ছোলা এবং সয়াবিন ফসলের জন্য এই কীটনাশকের অনুমোদন মিলেছে এবং খুব শীঘ্রই বাঁধাকপি ও লঙ্কার ক্ষেত্রেও এটি ব্যবহারের অনুমতি পাওয়া যাবে বলে আশা করা হচ্ছে।

গোদরেজ এগ্রোভেট লিমিটেডের ক্রপ প্রোটেকশন ব্যবসার সিইও এনকে রাজাভেলু জানান, এই কীটনাশকটি প্রয়োগের সাথে সাথেই ক্ষতিকর পোকামাকড়ের খাদ্যগ্রহণ বন্ধ করে দেয় এবং দীর্ঘ সময় ধরে ফসলকে সুরক্ষা প্রদান করে। এর ফলে কৃষকরা উন্নত মানের এবং অধিক ফলন নিশ্চিত করতে পারবেন।

বিশেষজ্ঞদের পরামর্শ অনুযায়ী, ধানের ক্ষেত্রে চারা রোপণের ১৫ থেকে ৩০ দিন এবং পুনরায় ৪০ থেকে ৬০ দিনের মাথায় প্রতি একরে ১৬০ মিলিলিটার হারে এই কীটনাশক প্রয়োগ করা যাবে। অন্যান্য ফসলের ক্ষেত্রেও সমপরিমাণ মাত্রা ব্যবহারযোগ্য। এর আগে ভুট্টার জন্য ‘আশিতাকা’ নামক হার্বিসাইড বাজারে এনে কৃষকদের প্রশংসা কুড়িয়েছিল সংস্থাটি। এবার ‘টাকাই’ ব্যবহারের মাধ্যমে কৃষকরা আরও টেকসই ও আধুনিক কৃষি সমাধানের সুবিধা পাবেন।

Leave a Comment

Your email address will not be published. Required fields are marked *