কিডনি সুরক্ষায় সচেতনতা, উপসর্গ ও প্রতিকার নিয়ে বিশেষজ্ঞ পরামর্শ

কিডনি সুরক্ষায় সচেতনতা, উপসর্গ ও প্রতিকার নিয়ে বিশেষজ্ঞ পরামর্শ

বিশ্বজুড়ে প্রতি ১০ জনের মধ্যে একজন কিডনি রোগে আক্রান্ত হচ্ছেন। প্রাথমিক পর্যায়ে লক্ষণ প্রকাশ না পাওয়ায় অনেকেই রোগ জটিল হলে চিকিৎসকের শরণাপন্ন হন। এই নীরব ঘাতক সম্পর্কে সচেতনতা বাড়াতে বিশ্ব কিডনি দিবস পালন করা হয়, যেখানে সঠিক সময়ে রোগ নির্ণয় ও জীবনযাত্রার পরিবর্তনের ওপর জোর দেওয়া হয়েছে।

বিশেষজ্ঞদের মতে, ডায়াবেটিস ও উচ্চ রক্তচাপ কিডনি বিকলের প্রধান ঝুঁকি। অনিয়ন্ত্রিত জীবনযাপন, অতিরিক্ত লবণ ও ব্যথানাশক ওষুধ সেবন কিডনির মারাত্মক ক্ষতি করে। নিয়মিত হাঁটাচলা, ধূমপান বর্জন এবং রক্তে শর্করার মাত্রা নিয়ন্ত্রণে রাখা সুস্থ কিডনির জন্য অপরিহার্য। এছাড়া পর্যাপ্ত জলপান ও চিকিৎসকের পরামর্শ ছাড়া ওষুধ সেবন বন্ধ করা জরুরি।

খিদে কমে যাওয়া, বমিভাব, শ্বাসকষ্ট বা শরীর চুলকানোর মতো উপসর্গ দেখা দিলে দ্রুত সতর্ক হতে হবে। ক্রিয়েটিনিন, ইউরিন টেস্ট এবং আল্ট্রাসোনোগ্রাফির মাধ্যমে সহজেই কিডনির অবস্থা বোঝা সম্ভব। বিশেষ করে পা ফোলা বা দ্রুত ওজন বাড়লে দেরি না করে রক্ত ও মূত্র পরীক্ষা করানো উচিত।

Leave a Comment

Your email address will not be published. Required fields are marked *