জিমে না গিয়েই কমবে মেদ ভুঁড়ি ঝরানোর মোক্ষম দাওয়াই আপনার রান্নাঘরেই আছে

জিমে না গিয়েই কমবে মেদ ভুঁড়ি ঝরানোর মোক্ষম দাওয়াই আপনার রান্নাঘরেই আছে

অতিরিক্ত ওজন এবং পেটের মেদ নিয়ে দুশ্চিন্তা এখন ঘরে ঘরে। মেদ ঝরাতে অনেকেই জিমে ঘাম ঝরান কিংবা কঠোর ডায়েট মেনে চলেন। তবে পুষ্টিবিদরা জানাচ্ছেন, জিমে না গিয়েও কেবল খাদ্যাভ্যাসে সামান্য পরিবর্তন এনে ওজন কমানো সম্ভব। আপনার রান্নাঘরে থাকা অত্যন্ত সাধারণ ও সস্তার একটি উপকরণ ‘ছাতু’ ওজন কমাতে ম্যাজিকের মতো কাজ করতে পারে। বিশেষ করে যব বা ছোলার ছাতুকে পুষ্টিবিদরা ‘সুপারফুড’ হিসেবে অভিহিত করছেন।

পুষ্টিবিদদের মতে, ছাতু হলো প্রোটিন ও ফাইবারের খনি। প্রতি ১০০ গ্রাম ছোলার ছাতুতে প্রায় ২০ থেকে ২৫ গ্রাম প্রোটিন থাকে, যা মাছ বা মাংসের প্রোটিনের সঙ্গে অনায়াসেই পাল্লা দিতে পারে। উচ্চ ফাইবার সমৃদ্ধ হওয়ায় ছাতু হজম হতে সময় নেয় এবং দীর্ঘক্ষণ পেট ভরা রাখে। ফলে বারবার ভাজাভুজি বা মিষ্টি খাওয়ার প্রবণতা কমে আসে। সকালে এক গ্লাস চিনি ছাড়া ছাতুর শরবত খেলে দুপুর পর্যন্ত ক্ষুধা অনুভূত হয় না, যা পরোক্ষভাবে ক্যালোরি গ্রহণ কমিয়ে দ্রুত ওজন ঝরাতে সাহায্য করে।

নিরামিষাশীদের জন্য ছাতু উদ্ভিজ্জ প্রোটিনের অন্যতম সেরা উৎস। এটি শরীরের মেটাবলিজম বা বিপাক হার বাড়িয়ে চর্বি পোড়াতে সাহায্য করে। এছাড়া ছাতু অন্ত্রের স্বাস্থ্য ভালো রাখে এবং পেট পরিষ্কার রাখতে সহায়তা করে। সুস্থভাবে ওজন কমাতে ছাতুর শরবত বা রুটি ডায়েটে রাখা যেতে পারে।

ওজন কমানোর জন্য ছাতু খাওয়ার সঠিক পদ্ধতি সম্পর্কে পুষ্টিবিদরা বলছেন, চিনি এড়িয়ে ছাতুর শরবত পান করা সবচেয়ে উপকারী। ঠান্ডা জলের সঙ্গে জিরে গুঁড়ো, সামান্য বিট নুন এবং লেবুর রস মিশিয়ে একটি পুষ্টিকর পানীয় তৈরি করে নেওয়া যায়। এছাড়া টক দই দিয়ে মেখেও ছাতু খাওয়া যেতে পারে। দ্রুত মেদ ঝরাতে চিনির বদলে নুন-লেবুর শরবত বা টক দইয়ের সংমিশ্রণই সবচেয়ে বেশি কার্যকরী বলে বিশেষজ্ঞরা মনে করছেন।

Leave a Comment

Your email address will not be published. Required fields are marked *