ডিএ ধর্মঘটে নবান্নের কড়া হুঁশিয়ারি, সরকারি দফতরগুলিতে হাজিরার হার ঊর্ধ্বমুখী

ডিএ ধর্মঘটে নবান্নের কড়া হুঁশিয়ারি, সরকারি দফতরগুলিতে হাজিরার হার ঊর্ধ্বমুখী

বকেয়া মহার্ঘ ভাতার (ডিএ) দাবিতে সরকারি কর্মচারী ও শিক্ষক সংগঠনগুলোর ডাকা ধর্মঘটের দিনেও রাজ্যের সরকারি দফতরগুলিতে স্বাভাবিক জনজীবন ব্যাহত হয়নি। নবান্নের জারি করা কড়া নির্দেশিকায় স্পষ্ট জানানো হয়েছিল যে, ১৩ মার্চ কোনোভাবেই ছুটি মঞ্জুর করা হবে না এবং অনুপস্থিত থাকলে বেতন কাটা যাবে। এই হুঁশিয়ারির প্রভাবে শুক্রবার সকাল থেকেই অফিসগুলিতে কর্মীদের উপস্থিতি ছিল চোখে পড়ার মতো।

নবান্ন সূত্রের খবর অনুযায়ী, প্রধান প্রশাসনিক সদর দফতর নবান্নে উপস্থিতির হার ছিল ৯৯ শতাংশ। এছাড়া পঞ্চায়েত ও গ্রামীণ উন্নয়ন দফতরে ১০০ শতাংশ হাজিরা নথিভুক্ত হয়েছে। রাইটার্স বিল্ডিংয়ে ৯৭.৫৫ শতাংশ, খাদ্য ভবনে ৯৭ শতাংশ এবং বিকাশ ভবন ও স্বাস্থ্য ভবনে ৯৬ থেকে ৯৭ শতাংশ কর্মী কাজে যোগ দিয়েছেন। ধর্মঘটের ডাক সত্ত্বেও অধিকাংশ দফতরেই স্বাভাবিক কাজকর্ম চলেছে।

রাজ্য সরকারের অর্থ দফতর আগেই বিজ্ঞপ্তিতে জানিয়েছিল যে, গুরুতর অসুস্থতা বা আগে থেকে অনুমোদিত বিশেষ ছুটি ব্যতীত অন্য কোনো অনুপস্থিতি গ্রহণ করা হবে না। সুপ্রিম কোর্টের নির্দেশের প্রেক্ষিতে রাজ্য পাল্টা আবেদন জানালেও, ডিএ-র দাবিতে চলা এই আন্দোলনের মাঝে নবান্নের কঠোর অবস্থান কর্মীদের কর্মস্থলে উপস্থিত হতে বাধ্য করেছে বলেই মনে করছে ওয়াকিবহাল মহল।

Leave a Comment

Your email address will not be published. Required fields are marked *