LPG সঙ্কটে মন্দিরগুলিতে ভোগ বিতরণে কাটছাঁট, বিপাকে পুণ্যার্থীরা

মধ্যপ্রাচ্যের যুদ্ধের জেরে তৈরি হওয়া তীব্র এলপিজি (LPG) সঙ্কটের প্রভাব পড়ল বাংলার প্রধান মন্দিরগুলিতে। দিঘার জগন্নাথ মন্দিরে দৈনিক ৩০০০ ভক্তের বদলে বর্তমানে মাত্র ৭৫০ জনের প্রসাদ রান্না করা হচ্ছে। ইসকন কলকাতার পক্ষ থেকেও জানানো হয়েছে, রান্নার গ্যাসের মজুত ভাণ্ডার ফুরিয়ে আসায় ভক্তদের ভোগ বিতরণে ব্যাপক কাটছাঁট করতে তারা বাধ্য হয়েছে।
একই ছবি ধরা পড়েছে বীরভূমের তারাপীঠ মন্দিরেও। গ্যাস সরবরাহে ঘাটতি থাকায় প্রতিদিন ৫০০ জনের পরিবর্তে এখন মাত্র ২০০-২৫০ জনের ভাণ্ডারা রান্না করা হচ্ছে। মন্দির কর্তৃপক্ষ জানিয়েছে, বুকিং করা সত্ত্বেও সময়মতো সিলিন্ডার পাওয়া যাচ্ছে না। পরিস্থিতি আরও অবনতি হলে ভবিষ্যতে অন্নভোগ ও ভাণ্ডারা পুরোপুরি বন্ধ করে দেওয়ার আশঙ্কা প্রকাশ করেছেন তারা।
মন্দিরগুলোতে এই হাহাকার চললেও দক্ষিণেশ্বর মন্দির কর্তৃপক্ষ জানিয়েছে, সেখানে এখনও পর্যন্ত রান্নার গ্যাসের সঙ্কটের কোনো বড় প্রভাব পড়েনি। তবে রাজ্যের অন্যান্য প্রান্তের পরিস্থিতি বিবেচনা করে রাজ্য সরকার ইতিমধ্যেই কালোবাজারি রুখতে এসওপি (SOP) এবং বিশেষ হেল্পলাইন নম্বর চালু করেছে। সাধারণ মানুষের দুর্ভোগ কমাতে প্রশাসনের পক্ষ থেকে নজরদারি বাড়ানো হচ্ছে।