পরিবর্তনের লক্ষে মোদীর ব্রিগেডে চিকিৎসক নারায়ণ বন্দ্যোপাধ্যায়

আরজি কর কাণ্ডের প্রতিবাদী মুখ হিসেবে পরিচিত চিকিৎসক নারায়ণ বন্দ্যোপাধ্যায় গত রবিবার ব্রিগেডে প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদীর জনসভায় যোগ দিয়ে রাজ্য রাজনীতিতে চাঞ্চল্য সৃষ্টি করেছেন। বামপন্থী ভাবধারার অনুসারী হিসেবে পরিচিত এই চিকিৎসকের আচমকা বিজেপি-র মঞ্চে উপস্থিতি নিয়ে রাজনৈতিক মহলে নানা প্রশ্ন উঠলেও, তিনি নিজের অবস্থানে অনড়। তাঁর মতে, বর্তমান পরিস্থিতিতে বাংলায় শাসন ব্যবস্থার পরিবর্তন অত্যন্ত জরুরি এবং যারা সেই পরিবর্তন ঘটাতে সক্ষম, তাদের পক্ষেই থাকা উচিত।
দ্য ওয়াল-কে দেওয়া এক সাক্ষাৎকারে ডাক্তার বন্দ্যোপাধ্যায় রাজ্যের শিক্ষা ব্যবস্থার দুর্নীতি, নিয়োগ কেলেঙ্কারি এবং পরিকাঠামোগত অবক্ষয় নিয়ে কড়া সমালোচনা করেন। তিনি জানান, গত ১৫ বছরে বাংলার হৃত গৌরব পুনরুদ্ধারের কোনো সদিচ্ছা শাসক দলের মধ্যে দেখা যায়নি। বরং খেলা-মেলায় অর্থ ব্যয় এবং সাধারণ মানুষের ভিশনহীন ভবিষ্যৎ নিয়ে তিনি উদ্বেগ প্রকাশ করেন। ২০২৬ সালের নির্বাচনে পরিবর্তন না এলে বাংলার ভবিষ্যৎ অন্ধকারের দিকে যাবে বলেও তিনি সতর্ক করেছেন।
তৃণমূল শিবিরের টিপ্পনিকে গুরুত্ব না দিয়ে নারায়ণবাবু স্পষ্ট করেন যে, আমন্ত্রিত হয়েই তিনি মোদীর সভায় গিয়েছেন এবং প্রধানমন্ত্রীর উন্নয়নমূলক চিন্তাধারায় তিনি অনুপ্রাণিত। তাঁর এই পদক্ষেপকে রাজনৈতিক পর্যবেক্ষকরা অত্যন্ত তাৎপর্যপূর্ণ বলে মনে করছেন। বিশেষ করে বামপন্থী ভোটারদের একাংশ যারা তৃণমূলের বিকল্প খুঁজছেন, তাঁদের কাছে এই ঘটনা বিশেষ বার্তা দিতে পারে। বিজেপির পক্ষ থেকেও এই যোগদানকে স্বাগত জানিয়ে আগামীর পরিবর্তনের পথ প্রশস্ত করার ইঙ্গিত দেওয়া হয়েছে।