গম্ভীরের ‘আক্রমণাত্মক’ মন্ত্রে পুনরুত্থান, বিশ্বকাপে অভিষেকের বিধ্বংসী ইনিংসের নেপথ্য কাহিনী

গম্ভীরের ‘আক্রমণাত্মক’ মন্ত্রে পুনরুত্থান, বিশ্বকাপে অভিষেকের বিধ্বংসী ইনিংসের নেপথ্য কাহিনী

টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপে টানা তিন ম্যাচে শূন্য রানে আউট হয়ে চরম সমালোচনার মুখে পড়েছিলেন তরুণ ওপেনার অভিষেক শর্মা। শারীরিক অসুস্থতা ও ফর্মহীনতায় জর্জরিত এই ক্রিকেটারের ওপর যখন চারপাশ থেকে চাপ বাড়ছিল, তখন তাঁর ত্রাতা হয়ে দাঁড়ান কোচ গৌতম গম্ভীর এবং সতীর্থ সূর্যকুমার যাদব ও হার্দিক পাণ্ডিয়া। সিনিয়রদের সেই বিশেষ পরামর্শই ফাইনালে অভিষেকের ২১ বলে ৫২ রানের ম্যাচ জেতানো ইনিংসের পথ প্রশস্ত করে।

অভিষেক জানিয়েছেন, কঠিন সময়ে সূর্যকুমার ও হার্দিক তাঁকে মানসিক চাপমুক্ত থাকতে সোশ্যাল মিডিয়া থেকে দূরে থাকার পরামর্শ দিয়েছিলেন। অন্যদিকে, কোচ গৌতম গম্ভীর নিজের আইপিএল জীবনের ব্যর্থতার অভিজ্ঞতা ভাগ করে নিয়েছিলেন তাঁর সঙ্গে। গম্ভীর তাঁকে রক্ষণাত্মক হওয়ার বদলে আরও বেশি আক্রমণাত্মক ক্রিকেট খেলার সাহস জোগান। কোচের নির্দেশ ছিল, বাইরের সমালোচনা কানে না তুলে নিজের সহজাত গেমপ্ল্যান বজায় রাখা।

ড্রেসিংরুমের এই অগাধ আস্থা ও গম্ভীরের ‘ভয়ডরহীন’ ক্রিকেট খেলার মন্ত্রই শেষ পর্যন্ত কাজে লাগে। সমালোচকদের জবাব দিয়ে ফাইনালে বিধ্বংসী ব্যাটিং করেন অভিষেক। তিনি স্বীকার করেছেন যে, সতীর্থদের সমর্থন এবং কোচের ইতিবাচক দৃষ্টিভঙ্গি তাঁকে মানসিকভাবে শক্তিশালী করে তুলেছিল, যা শেষ পর্যন্ত ভারতের বিশ্বকাপ জয়ের সাফল্যে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করে।

Leave a Comment

Your email address will not be published. Required fields are marked *