বুথভিত্তিক ‘মাইক্রো প্ল্যানিং’-এ কামব্যাক করতে মরিয়া বালু, হাবড়ায় তৃণমূলের নিঃশব্দ রণকৌশল

২০২৬-এর বিধানসভা নির্বাচনকে সামনে রেখে হাবড়ায় কোমর বেঁধে নামছে তৃণমূল কংগ্রেস। বড় সভা বা প্রচারের ঝলকানি সরিয়ে এবার সরাসরি বুথ স্তরে সংগঠন গোছানোর রণকৌশল নিয়েছে শাসক দল। বুধবার শহরের নেতৃত্বের সঙ্গে বৈঠকের পর বৃহস্পতিবার থেকে কুমড়া-কাশিপুর, রাউতারা ও মছলন্দপুরের মতো গ্রাম পঞ্চায়েত এলাকাগুলোতে ধারাবাহিক আলোচনার সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে। তৃণমূল প্রার্থী জ্যোতিপ্রিয় মল্লিক নিজে এই সাংগঠনিক প্রক্রিয়ায় সরাসরি যুক্ত থেকে প্রতিটি স্তরের কর্মীদের চাঙ্গা করছেন।
দলের অভ্যন্তরীণ সমীক্ষায় প্রতিটি বুথের শক্তি ও দুর্বলতা খতিয়ে দেখে নতুন করে কমিটি পুনর্গঠনের নির্দেশ দেওয়া হয়েছে। বিশেষত ২০২৪-এর লোকসভা নির্বাচনে হাবড়া পুরসভার ২৪টি ওয়ার্ডে পিছিয়ে থাকার বিষয়টি ভাবিয়ে তুলেছে নেতৃত্বকে। সেই ধাক্কা সামলাতে এবার অভিজ্ঞদের পাশাপাশি তরুণ কর্মীদের সামনে এনে জনসংযোগ বাড়ানোর পরিকল্পনা নেওয়া হয়েছে। আত্মতুষ্টি ঝেড়ে ফেলে ‘সাবধানী’ মেজাজে প্রতিটি বুথকে আলাদা ইউনিট হিসেবে ধরে কাজ শুরু করেছে জোড়াপুল শিবির।
তৃণমূল নেতা নীলিমেষ দাস ও মনোজ রায় জয়ের ব্যাপারে আত্মবিশ্বাসী হলেও বিজেপি নেতা তাপস মিত্র পালটা চ্যালেঞ্জ ছুড়েছেন। তাঁর দাবি, শাসক দলের এই কৌশলে কোনো কাজ হবে না এবং মানুষ পদ্মফুলেই আস্থা রাখবেন। তবে বিরোধীদের কটাক্ষকে গুরুত্ব না দিয়ে বাড়ি বাড়ি গিয়ে ছোট বৈঠকের মাধ্যমে ভোটারদের মন জয়ের লক্ষ্যস্থির করেছে তৃণমূল। পুরসভার ২০ জন নেতার নেতৃত্বে শহরাঞ্চলে হারানো জমি পুনরুদ্ধারে এখন মরিয়া চেষ্টা চালাচ্ছে ঘাসফুল শিবির।