বাইকের মাইলেজ বাড়ানোর ‘নিনজা টেকনিক’, জ্বালানি সাশ্রয় ও রক্ষণাবেক্ষণের সহজ উপায়

পেট্রোলের ক্রমবর্ধমান মূল্যের বাজারে বাইক চালকদের দুশ্চিন্তা কমাতে বিশেষজ্ঞরা কিছু কার্যকর কৌশল অবলম্বনের পরামর্শ দিচ্ছেন। সঠিক ড্রাইভিং অভ্যাস এবং নিয়মিত রক্ষণাবেক্ষণের সমন্বয়ে বাইকের মাইলেজ উল্লেখযোগ্যভাবে বৃদ্ধি করা সম্ভব। হঠাৎ গতি বাড়ানো বা ঘনঘন ব্রেক কষার পরিবর্তে মসৃণভাবে গিয়ার পরিবর্তন করলে ইঞ্জিনের ওপর চাপ কম পড়ে, যা সরাসরি জ্বালানি সাশ্রয়ে সাহায্য করে।
যান্ত্রিক সতর্কতার মধ্যে টায়ারের হাওয়ার চাপ সঠিক রাখা অত্যন্ত জরুরি; কারণ কম চাপে ইঞ্জিনকে অতিরিক্ত শক্তি ব্যয় করতে হয়। এছাড়া নিয়মিত সার্ভিসিং, সময়মতো ইঞ্জিন অয়েল পরিবর্তন এবং এয়ার ফিল্টার পরিষ্কার রাখলে বাইকের কর্মক্ষমতা অটুট থাকে। ট্রাফিক সিগন্যালে ৩০ সেকেন্ডের বেশি দাঁড়াতে হলে ইঞ্জিন বন্ধ রাখা এবং অপ্রয়োজনীয় অতিরিক্ত ওজন বহন না করাও মাইলেজ বাড়ানোর অন্যতম চাবিকাঠি।
সাধারণত ঘণ্টায় ৪০-৬০ কিলোমিটার গতি বজায় রাখলে বাইক থেকে সেরা মাইলেজ পাওয়া যায়। উচ্চ গতিতে ইঞ্জিন দ্রুত জ্বালানি খরচ করে, তাই পরিমিত গতিতে বাইক চালানো বুদ্ধিমানের কাজ। দৈনন্দিন যাতায়াতে এই ছোটখাটো পরিবর্তনগুলো মেনে চললে একদিকে যেমন পকেটের সাশ্রয় হবে, অন্যদিকে বাইকের স্থায়িত্ব ও আয়ুও বৃদ্ধি পাবে।