গ্যাস সংকটে ব্যাহত ওষুধ উৎপাদন, বাজারে অমিল হতে পারে প্যারাসিটামল ও সিরিঞ্জ

গ্যাস সংকটে ব্যাহত ওষুধ উৎপাদন, বাজারে অমিল হতে পারে প্যারাসিটামল ও সিরিঞ্জ

মধ্যপ্রাচ্যে চলমান সংঘাতের জেরে গ্যাস ও পেট্রোকেমিক্যালের সরবরাহ বিঘ্নিত হওয়ায় সংকটে পড়েছে ভারতের ওষুধ শিল্প। বিশেষ করে এলপিজি ও পিএনজি গ্যাসের ঘাটতিতে প্যারাসিটামলসহ জরুরি ওষুধ এবং সিরিঞ্জ, গ্লাভস ও পিপিই কিটের উৎপাদন ব্যাহত হওয়ার আশঙ্কা দেখা দিয়েছে। পরিস্থিতির গুরুত্ব বিচার করে ওষুধ উৎপাদনকারী সংগঠনগুলো ফার্মাসিউটিক্যাল শিল্পকে ‘অত্যাবশ্যক পরিষেবা’ হিসেবে গণ্য করে নিরবচ্ছিন্ন গ্যাস সরবরাহের জন্য কেন্দ্রের কাছে আবেদন জানিয়েছে।

ওষুধ তৈরির বিভিন্ন ধাপে বয়লার চালানো থেকে স্টেরিলাইজেশন পর্যন্ত গ্যাসের ব্যবহার অপরিহার্য। বিশেষ করে ছোট ও মাঝারি সংস্থাগুলো পুরোপুরি গ্যাসের ওপর নির্ভরশীল হওয়ায় কাঁচামাল প্রোপিলিনের অভাবে আগামী ৭ থেকে ১০ দিনের মধ্যে প্রায় ২০০টি কারখানা বন্ধ হয়ে যেতে পারে। আমদানির ক্ষেত্রে দূষণের ঝুঁকি থাকায় দেশীয় উৎপাদন থমকে গেলে সংকট আরও ঘনীভূত হওয়ার সম্ভাবনা রয়েছে।

বিশেষজ্ঞদের মতে, উৎপাদন বন্ধ হলে বাজারে ওষুধের ঘাটতি দেখা দিতে খুব বেশি সময় লাগবে না। অধিকাংশ ছোট কো ম্পা নির কাছে মাত্র ১৫ থেকে ৩০ দিনের ওষুধ মজুত থাকে। পেট্রোকেমিক্যালের অভাবে ১৪ ধরনের জরুরি ওষুধের পাশাপাশি চিকিৎসা সরঞ্জামের জোগানও অনিশ্চিত হয়ে পড়েছে। এই অবস্থায় জনস্বাস্থ্য রক্ষায় সরকারের দ্রুত হস্তক্ষেপ ও কাঁচামাল সরবরাহ স্বাভাবিক করার দাবি জোরালো হচ্ছে।

Leave a Comment

Your email address will not be published. Required fields are marked *