মোদি ফিরতেই ইরানে হামলা: কংগ্রেসের অভিযোগ উড়িয়ে সত্যতা জানালেন ইজরায়েলি রাষ্ট্রদূত

প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদির ইজরায়েল সফর শেষ হওয়ার পরপরই পশ্চিম এশিয়ায় শুরু হওয়া যুদ্ধ নিয়ে রাজনৈতিক বিতর্ক তুঙ্গে। কংগ্রেসের অভিযোগ, প্রধানমন্ত্রীর এই সফরের সঙ্গে ইরানে হামলার বিশেষ যোগসূত্র রয়েছে। তবে এই দাবিকে সম্পূর্ণ ভিত্তিহীন বলে উড়িয়ে দিয়েছেন ভারতে নিযুক্ত ইজরায়েলের রাষ্ট্রদূত রেউভেন আজার। তিনি স্পষ্ট করেন যে, ভারতের প্রধানমন্ত্রীর সফরের সময় নয়, বরং তিনি ইজরায়েল ত্যাগের দু’দিন পর পরিস্থিতি পর্যালোচনা করে সামরিক অভিযানের চূড়ান্ত অনুমোদন দেয় ইজরায়েলি মন্ত্রিসভা।
রাষ্ট্রদূত আজারের মতে, মার্কিন-ইজরায়েল যৌথ অভিযানে ইরানের ক্ষেপণাস্ত্র উৎক্ষেপণ ক্ষমতার প্রায় ৭০ শতাংশই বর্তমানে বিধ্বস্ত। তেহরানের একাধিক বড় কারখানা ধ্বংস হওয়ায় তাদের পারমাণবিক অস্ত্র তৈরির সক্ষমতাও উল্লেখযোগ্যভাবে হ্রাস পেয়েছে। ইজরায়েলের এই সামরিক পদক্ষেপের মূল লক্ষ্য ছিল ইরানের সমরশক্তিকে দুর্বল করা, যাতে তারা ভবিষ্যতে বড় কোনো হুমকি হয়ে না দাঁড়াতে পারে। তবে এই অভিযানের উদ্দেশ্য ইরানে সরকার পরিবর্তন করা নয় বলে তিনি সাফ জানিয়ে দিয়েছেন।
ইজরায়েলি রাষ্ট্রদূতের দাবি অনুযায়ী, এই অভিযানের লক্ষ্য ছিল ইরানের সাধারণ মানুষকে নিজস্ব ভবিষ্যৎ বেছে নেওয়ার সুযোগ করে দেওয়া। বর্তমানে ইরানের সামরিক উৎপাদন ক্ষমতা অনেকটাই কমে গিয়েছে এবং দেশটি কৌশলগতভাবে ব্যাকফুটে রয়েছে। রাজনৈতিক বিতর্কের উর্ধ্বে উঠে রেউভেন আজার পুনর্নিশ্চিত করেছেন যে, প্রধানমন্ত্রী মোদির সফরের সঙ্গে সামরিক সিদ্ধান্তের কোনো সরাসরি সম্পর্ক ছিল না; বরং পরিস্থিতির গুরুত্ব বিবেচনা করেই সঠিক সময়ে এই সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে।