আলি লারিজানিকে টার্গেট করে ইজরায়েলের বিধ্বংসী হামলা, তুঙ্গে মৃত্যু রহস্য

মধ্যপ্রাচ্যের যুদ্ধ পরিস্থিতিতে নতুন করে উত্তেজনা ছড়িয়েছে ইরানের প্রভাবশালী নেতা আলি লারিজানিকে কেন্দ্র করে। সোমবার রাতে ইরানের একাধিক সামরিক ঘাঁটিতে ভয়াবহ বিমান হামলা চালায় ইজরায়েল। এই অভিযানের মূল লক্ষ্য ছিলেন লারিজানি এবং বাসিজ প্যারা মিলিটারি ফোর্সের কমান্ডার ঘোলামরেজা সোলেইমানি। হামলায় সোলেইমানির মৃত্যুর খবর নিশ্চিত করা হলেও, লারিজানির পরিণতি নিয়ে চরম ধোঁয়াশা তৈরি হয়েছে। তিনি বেঁচে আছেন নাকি নিহত হয়েছেন, তা নিয়ে এখনও কোনো আনুষ্ঠানিক বিবৃতি মেলেনি।
ইজরায়েলি সংবাদমাধ্যমের দাবি অনুযায়ী, কয়েকদিন আগেই আমেরিকার পক্ষ থেকে লারিজানি-সহ বেশ কয়েকজন ইরানি কর্মকর্তার মাথার দাম ৯২ কোটি টাকা ঘোষণা করা হয়েছিল। একসময় আমেরিকার সাথে পরমাণু আলোচনার নেতৃত্ব দেওয়া এই নেতার নিখোঁজ হওয়া ইরানের শাসনব্যবস্থার জন্য বড় ধাক্কা হিসেবে দেখা হচ্ছে। বিশেষ করে আয়াতোল্লা খামেনেইয়ের প্রয়াণ এবং সম্ভাব্য উত্তরসূরি মোজতাবা খামেনেইয়ের গুরুতর আহত হওয়ার খবরের মাঝে এই ঘটনা ইরানকে আরও কোণঠাসা করে তুলেছে।
দেশের অভ্যন্তরীণ অস্থিতিশীলতার আশঙ্কায় ইরান সরকার সাধারণ মানুষকে ঐতিহ্যবাহী ‘চাহারশম্বে সুরি’ উৎসব পালন থেকে বিরত থাকার নির্দেশ দিয়েছে। স্বাস্থ্য পরিষেবার ওপর চাপ কমানো এবং উদ্ভূত পরিস্থিতি সামাল দিতেই এই কঠোর পদক্ষেপ নেওয়া হয়েছে বলে ধারণা করা হচ্ছে। লারিজানির প্রকৃত অবস্থা নিয়ে ধোঁয়াশা বজায় থাকায় আন্তর্জাতিক মহলেও গভীর উদ্বেগ ও কৌতূহল সৃষ্টি হয়েছে। এখন সরকারি বার্তার অপেক্ষায় বিশ্ব রাজনীতি।