এলপিজি সিলিন্ডারের কালোবাজারি রুখতে কেন্দ্রের কড়া পদক্ষেপ, পাইপলাইনে গ্যাস সরবরাহে জোর

এলপিজি সিলিন্ডারের কালোবাজারি রুখতে কেন্দ্রের কড়া পদক্ষেপ, পাইপলাইনে গ্যাস সরবরাহে জোর

পশ্চিম এশিয়ার যুদ্ধ পরিস্থিতির জেরে দেশে রান্নার গ্যাসের সংকট এড়াতে বিশেষ তৎপরতা শুরু করেছে কেন্দ্র। হরমুজ প্রণালীতে অস্থিরতার প্রেক্ষাপটে এলপিজি সিলিন্ডারের মজুতদারি ও কালোবাজারি রুখতে রাজ্য সরকারগুলিকে ‘অত্যাবশ্যকীয় পণ্য আইন’ প্রয়োগের নির্দেশ দেওয়া হয়েছে। বর্তমানে এলপিজির চাহিদা ব্যাপক হারে বৃদ্ধি পাওয়ায় এবং অনলাইন বুকিং ৯০ শতাংশে পৌঁছানোয় সরবরাহ ব্যবস্থা স্বাভাবিক রাখতে নিরন্তর নজরদারি চালাচ্ছে পেট্রোলিয়াম মন্ত্রক।

শহরাঞ্চলে রান্নার গ্যাসের জোগান নিশ্চিত করতে পাইপলাইন গ্যাস (পিএনজি) সরবরাহের পরিধি বাড়ানোর নির্দেশ দিয়েছে সরকার। বিশেষ করে হোটেল, রেস্তোরাঁ, হাসপাতাল ও শিক্ষা প্রতিষ্ঠানগুলিকে বাণিজ্যিক সিলিন্ডারের বদলে দ্রুত পিএনজি সংযোগ নিতে উৎসাহিত করা হচ্ছে। সিজিডি সংস্থাগুলিকে নেটওয়ার্ক সম্প্রসারণের নির্দেশ দেওয়ার পাশাপাশি জানানো হয়েছে যে, গ্রাহকরা অনলাইন পোর্টাল বা কল সেন্টারের মাধ্যমে সহজেই এই সংযোগের জন্য আবেদন করতে পারবেন।

বিদেশে যুদ্ধ পরিস্থিতি সত্ত্বেও দেশে পেট্রল, ডিজেল ও অশোধিত তেলের মজুত পর্যাপ্ত রয়েছে বলে আশ্বস্ত করেছে বিদেশ মন্ত্রক। পেট্রোপণ্যবাহী জাহাজগুলি নির্ধারিত সময়েই ভারতের বন্দরে পৌঁছাবে এবং খুচরো বাজারে জ্বালানির কোনো ঘাটতি নেই। পরিস্থিতির মোকাবিলায় ঘরোয়া উৎপাদন ৩৬ শতাংশ বৃদ্ধি করা হয়েছে। পাশাপাশি তেহরানে ভারতীয় দূতাবাস কার্যকর রয়েছে এবং যুদ্ধকবলিত অঞ্চল থেকে এ পর্যন্ত প্রায় ২ লক্ষ ২০ হাজার ভারতীয়কে দেশে ফিরিয়ে আনা হয়েছে।

Leave a Comment

Your email address will not be published. Required fields are marked *