বীরভূমে তৃণমূলের নবীন-প্রবীণ সমন্বয়, দ্বন্দ্ব ভুলে জয়ের লক্ষ্যে একজোট কাজল-অনুব্রত

২০২৬ বিধানসভা নির্বাচনকে সামনে রেখে বীরভূমে অভ্যন্তরীণ বিভেদ ভুলে একজোট হয়ে ময়দানে নেমেছে তৃণমূল কংগ্রেস। জেলার ১১টি আসনের জন্য ঘোষিত প্রার্থী তালিকায় নবীন ও প্রবীণের ভারসাম্য বজায় রেখেছে শীর্ষ নেতৃত্ব। হাসন কেন্দ্রে জেলা পরিষদ সভাধিপতি কাজল শেখ এবং দুবরাজপুরে পুরনো মুখ নরেশচন্দ্র বাউড়িকে প্রার্থী করে জয়ের ধারা বজায় রাখতে মরিয়া ঘাসফুল শিবির। অনুব্রত মণ্ডলের উপস্থিতিতে জেলা কোর কমিটি এখন ঐক্যবদ্ধ লড়াইয়ের প্রস্তুতি নিচ্ছে।
প্রার্থী তালিকা ঘোষণার পর সাময়িক ক্ষোভ দেখা দিলেও, বর্তমানে দেওয়াল লিখন ও প্রচারের কাজে ঝাঁপিয়ে পড়েছেন কর্মীরা। সিউড়িতে বিকাশ রায়চৌধুরীর পরিবর্তে পুরপ্রধান উজ্জ্বল চট্টোপাধ্যায়কে প্রার্থী করায় কর্মীদের মধ্যে বাড়তি উন্মাদনা লক্ষ্য করা গেছে। দলীয় নেতৃত্বের কড়া বার্তা—ব্যক্তি নয়, প্রতিটি আসনে মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ই আসল প্রার্থী। তৃণমূলের লক্ষ্য এখন কেবল জয় নয়, বরং জয়ের ব্যবধান বাড়িয়ে রেকর্ড তৈরি করা।
কাজল শেখ স্পষ্ট জানিয়েছেন, নিজের কেন্দ্রের পাশাপাশি পুরো জেলার ভোটযুদ্ধ সামলাবেন তিনি। অন্যদিকে, অনুব্রত মণ্ডল কর্মীদের উসকানিতে পা না দিয়ে ঐক্যবদ্ধ থাকার আহ্বান জানিয়েছেন। গত নির্বাচনের ভুলভ্রান্তি শুধরে এবং সাংগঠনিক শক্তিকে কাজে লাগিয়ে ১১টি আসনেই নিরঙ্কুশ আধিপত্য বজায় রাখতে কৌশল সাজাচ্ছে জেলা নেতৃত্ব। তৃণমূলের দাবি, বীরভূমে এবার কোনো গোষ্ঠীদ্বন্দ্ব নেই, কর্মীরা কেবল জয়ের ‘সৈনিক’ হিসেবে কাজ করছেন।