মমতার পঞ্চকন্যার জীবনসংগ্রাম হেঁশেল থেকে বিধানসভার লড়াইয়ে ৫ প্রান্তিক নারী

তৃণমূল কংগ্রেসের প্রার্থী তালিকায় এবার বিশেষ নজর কেড়েছেন মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের ‘পাঁচ কন্যা’। হুগলির আরামবাগের মিতা বাগ থেকে শুরু করে ফাঁসিদেওয়ার রিনা এক্কা টোপ্নো—প্রত্যেকের জীবনই চরম দারিদ্র ও সংগ্রামের গল্পে মোড়া। মিতা বাগ যেখানে একসময় অর্থের অভাবে মাইলের পর মাইল পায়ে হেঁটেছেন, সেখানে রিনা এক্কা চা বাগানে শ্রমিকের কাজ করে বড় হয়েছেন। বর্তমানে জনসেবার মাধ্যমে নিজেদের এলাকায় তাঁরা জনপ্রিয় মুখ হয়ে উঠেছেন।
বাঁকুড়ার রানিবাঁধের শিক্ষাবিদ তনুশ্রী হাঁসদা এবং রায়পুরের ঠাকুরমণি সোরেন আদিবাসী সমাজ ও সংস্কৃতির উন্নয়নে অঙ্গীকারবদ্ধ। কার্গিল যোদ্ধার স্ত্রী ঠাকুরমণি যেমন কাদা-মাটি মেখে বড় হয়েও উন্নয়নের স্বপ্ন দেখেন, তেমনই তনুশ্রী চান জঙ্গলমহলে শিক্ষার আলো ছড়াতে। অন্যদিকে, কুলপির বর্ণালী ধারা রাষ্ট্রপতির সম্মানপ্রাপ্ত একজন সফল কৃষি ব্যক্তিত্ব। কৃষিক্ষেত্রে আমূল পরিবর্তনের লক্ষ্য নিয়ে তিনি এবার নির্বাচনী ময়দানে অবতীর্ণ হয়েছেন।
এই পাঁচ নারী কেবল প্রার্থী নন, বরং তৃণমূল নেত্রীর নারীশক্তির প্রতীক। আন্তর্জাতিক নারী দিবসে মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় এই লড়াকু সৈনিকদের জীবনের জয়গান গেয়েছেন। সংসার সামলানোর পাশাপাশি রাজনীতি ও সমাজসেবায় তাঁদের এই উত্তরণ রাজ্যের নির্বাচনী রাজনীতিতে এক নতুন মাত্রা যোগ করেছে। প্রান্তিক স্তর থেকে উঠে আসা এই প্রার্থীরা এখন সাধারণ মানুষের অধিকার রক্ষার লড়াইয়ে সামনের সারিতে রয়েছেন।