নির্বাচনী উত্তাপ ফিকে ধূপগুড়িতে, রাজনীতির লড়াই ছাপিয়ে মাঠজুড়ে এখন আলু বাঁচানোর লড়াই

ভোট ঘোষণা হলেও উত্তরবঙ্গের ধূপগুড়িতে রাজনৈতিক তৎপরতা এখনও বেশ স্তিমিত। নির্বাচনী প্রচারের চেনা শোরগোলের বদলে কর্মী-সমর্থকদের ভিড় এখন আলুর খেতে। মূলত কৃষিপ্রধান এই এলাকায় আলুর ফলন ঘরে তোলাই এখন স্থানীয় বাসিন্দাদের প্রধান লক্ষ্য। ফলে তৃণমূল ও বিজেপি— উভয় শিবিরের দলীয় কার্যালয়গুলো আপাতত কর্মীহীন ও নিরুত্তাপ হয়ে পড়েছে।
এলাকার প্রধান অর্থকরী ফসল আলুই এখন রাজনীতির পথে প্রধান বাধা হয়ে দাঁড়িয়েছে। নিম্নচাপের বৃষ্টি আর জমিতে জল জমে যাওয়ায় প্রায় ৭০ শতাংশ ফসল পচে যাওয়ার উপক্রম হয়েছে। শ্রমিকের অভাবে কৃষকরা নিজেরাই সপরিবারে মাঠে নেমেছেন ফসল উদ্ধারে। বাজারদর কম থাকায় কৃষকদের মধ্যে চরম হতাশা কাজ করছে, যার সরাসরি প্রভাব পড়ছে নির্বাচনী উৎসাহের ওপর।
রাজনৈতিক নেতৃত্ব অবশ্য এই পরিস্থিতিকে সাময়িক বলেই মনে করছেন। তৃণমূল প্রার্থী নির্মল চন্দ্র রায় ও স্থানীয় বিজেপি নেতাদের মতে, আগামী ১০ দিনের মধ্যে আলু তোলার কাজ শেষ হলে প্রচার আবার পূর্ণ গতি ফিরে পাবে। বর্তমানে ফসল বাঁচানোর তাগিদে প্রচারের ঝড়ের চেয়ে কৃষকের দুশ্চিন্তাই ধূপগুড়ির ভোটের ময়দানে বড় ইস্যু হয়ে দাঁড়িয়েছে।