বাংলার ঘরে ঘরে টাকা আর ফ্রি চিকিৎসা, মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের ১০টি শপথ

ভোটের আগে বড় চমক দিয়ে ইশতেহার প্রকাশ করল তৃণমূল কংগ্রেস। বেকার যুবক এবং নারীদের জন্য মাসিক ভাতার পরিমাণ বাড়ানোর ঘোষণা দিয়েছেন মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। ‘লক্ষ্মীর ভাণ্ডার’ প্রকল্পে সাধারণ বিভাগের মহিলারা এখন থেকে প্রতি মাসে ১,৫০০ টাকা এবং তফশিলি জাতি ও উপজাতিভুক্ত মহিলারা ১,৭০০ টাকা করে পাবেন। এর পাশাপাশি বেকার যুবকদের হাতখরচ হিসেবে মাসে ১,৫০০ টাকা দেওয়ার প্রতিশ্রুতি দিয়েছে শাসক দল।
তৃণমূলের নির্বাচনী ইশতেহারে ‘দিদির ১০ অঙ্গীকার’ নামে একগুচ্ছ জনমুখী প্রকল্পের কথা বলা হয়েছে। সেখানে উল্লেখ করা হয়েছে যে প্রতি পরিবারকে পাকা বাড়ি দেওয়া হবে এবং ‘দুয়ারে চিকিৎসা’ শিবিরের মাধ্যমে মানুষের দোরগোড়ায় পৌঁছে যাবে স্বাস্থ্য পরিষেবা। কৃষকদের সুবিধার্থে ৩০ হাজার কোটি টাকার পৃথক কৃষি বাজেট পেশ করার পরিকল্পনাও রয়েছে মমতার। এছাড়া ই-লার্নিং সুবিধাযুক্ত আধুনিক স্কুল এবং রাজ্যে আরও নতুন ৭-৮টি জেলা ও পুরসভা গঠনের আশ্বাস দিয়েছেন তিনি। শিক্ষা থেকে কর্মসংস্থান এবং পরিকাঠামো উন্নয়নকে হাতিয়ার করেই বিরোধীদের রুখে দেওয়ার ডাক দিয়েছেন তৃণমূল সুপ্রিমো।
দিদির ১০টি প্রধান প্রতিশ্রুতি
- লক্ষ্মীর ভাণ্ডার: সাধারণ মহিলাদের মাসে ১,৫০০ এবং SC/ST মহিলাদের ১,৭০০ টাকা সাহায্য।
- যুব সাথী: বেকারদের জন্য মাসিক ১,৫০০ টাকা করে হাতখরচ।
- আবাস যোজনা: বাংলার প্রতিটি পরিবারের জন্য নিশ্চিত পাকা বাড়ি।
- দুয়ারে চিকিৎসা: ব্লক স্তরে বার্ষিক স্বাস্থ্য শিবিরের মাধ্যমে ঘরে ঘরে চিকিৎসা।
- কৃষি বাজেট: কৃষকদের জন্য ৩০ হাজার কোটি টাকার বিশেষ বরাদ্দ।
- পানীয় জল: প্রতিটি বাড়িতে পাইপের মাধ্যমে পরিশ্রুত পানীয় জল পৌঁছে দেওয়া।
- শিক্ষা ব্যবস্থার আধুনিকীকরণ: সরকারি স্কুলগুলোতে ই-লার্নিং ও বিশ্বমানের পরিকাঠামো।
- বার্ধক্য ভাতা: প্রবীণ নাগরিকদের নিরবচ্ছিন্ন পেনশন সুবিধা।
- বাণিজ্যিক কেন্দ্র: নতুন বন্দর ও গ্লোবাল ট্রেড সেন্টার তৈরি করে বাংলাকে বাণিজ্যের প্রবেশদ্বার বানানো।
- প্রশাসনিক সংস্কার: কাজের সুবিধার্থে আরও ৭টি নতুন জেলা ও নতুন পুরসভা গঠন।