নির্বাচন কমিশনার নিয়োগ আইন: স্বার্থের সংঘাত এড়াতে মামলা থেকে সরলেন প্রধান বিচারপতি

মুখ্য নির্বাচন কমিশনার ও নির্বাচন কমিশনারদের নিয়োগ সংক্রান্ত ২০২৩ সালের নতুন আইনকে চ্যালেঞ্জ করে দায়ের করা জনস্বার্থ মামলা শুনতে অপরাগতা প্রকাশ করেছেন সুপ্রিম কোর্টের প্রধান বিচারপতি সূর্যকান্তের নেতৃত্বাধীন বেঞ্চ। বেঞ্চের অন্য সদস্য বিচারপতি জয়মাল্য বাগচী ও বিচারপতি ভিএম পাঞ্চালিও এই সিদ্ধান্তের সঙ্গে একমত হয়েছেন। মূলত নিরপেক্ষতা বজায় রাখা এবং আইনি প্রক্রিয়ায় স্বচ্ছতা নিশ্চিত করতেই শীর্ষ আদালত এই পদক্ষেপ নিয়েছে।
২০২৩ সালে কেন্দ্রীয় সরকার প্রণীত এই আইনে প্রধানমন্ত্রী, একজন কেন্দ্রীয় মন্ত্রী এবং লোকসভার বিরোধী দলনেতাকে নিয়ে গঠিত কমিটির মাধ্যমে নির্বাচন কমিশনার নিয়োগের বিধান দেওয়া হয়েছে। এর আগে সুপ্রিম কোর্টের রায়ে এই কমিটিতে প্রধান বিচারপতির উপস্থিতির কথা বলা হলেও নতুন আইনে তাঁকে বাদ দেওয়া হয়। মামলাকারীদের দাবি, এই প্রক্রিয়ায় কেন্দ্রীয় সরকারের একাধিপত্য তৈরি হওয়ায় নিয়োগের নিরপেক্ষতা ক্ষুণ্ণ হতে পারে।
প্রধান বিচারপতি সূর্যকান্ত জানান, যেহেতু এই মামলায় নিয়োগ কমিটিতে প্রধান বিচারপতির অন্তর্ভুক্তি নিয়ে প্রশ্ন তোলা হয়েছে, তাই ‘স্বার্থের সংঘাত’ এড়াতে তিনি নিজে এই মামলার বিচার করবেন না। মামলাটি এমন বিচারপতির এজলাসে পাঠানো হয়েছে যাঁদের ভবিষ্যতে প্রধান বিচারপতি হওয়ার সম্ভাবনা নেই। আইনজীবী প্রশান্ত ভূষণ এই যুক্তি গ্রহণ করেছেন এবং আগামী ৭ এপ্রিল অন্য বেঞ্চে এই মামলার পরবর্তী শুনানি অনুষ্ঠিত হবে।