স্বার্থের সংঘাত এড়াতে নির্বাচন কমিশনার নিয়োগ মামলার শুনানি থেকে সরলেন প্রধান বিচারপতি

প্রধান বিচারপতি সূর্যকান্তের নেতৃত্বাধীন বেঞ্চ মুখ্য নির্বাচন কমিশনার ও নির্বাচন কমিশনারদের নিয়োগ সংক্রান্ত ২০২৩ সালের নতুন আইনকে চ্যালেঞ্জ করে দায়ের করা জনস্বার্থ মামলা শুনতে অস্বীকার করেছে। এই বেঞ্চের অন্য সদস্যরা হলেন বিচারপতি জয়মাল্য বাগচী এবং বিচারপতি ভিএম পাঞ্চালি। কেন্দ্রীয় সরকারের তৈরি এই নতুন আইনে কমিশনার নিয়োগের কমিটিতে প্রধান বিচারপতির পরিবর্তে একজন কেন্দ্রীয় মন্ত্রীকে অন্তর্ভুক্ত করা হয়েছে, যা নিয়ে আইনি বিতর্ক তৈরি হয়েছে।
মামলাকারীদের দাবি, নিয়োগ প্রক্রিয়ায় সরকারের একাধিপত্য নিরপেক্ষতাকে ক্ষুণ্ণ করছে। ২০২২ সালে সুপ্রিম কোর্টের রায়ে নিয়োগ কমিটিতে প্রধানমন্ত্রী, বিরোধী দলনেতা ও প্রধান বিচারপতিকে রাখার নির্দেশ দেওয়া হয়েছিল। তবে মোদী সরকার নতুন আইন প্রণয়ন করে সেই কমিটিতে বদল আনে। বর্তমান কমিশনারদের এই নতুন পদ্ধতিতেই নিয়োগ করা হয়েছে। আইনজীবী প্রশান্ত ভূষণসহ অন্যান্যরা এই আইনের বৈধতা নিয়ে শীর্ষ আদালতের দ্বারস্থ হন।
শুক্রবার শুনানিতে প্রধান বিচারপতি জানান, যেহেতু এই মামলায় প্রধান বিচারপতিকে নিয়োগ কমিটি থেকে বাদ দেওয়ার বিষয়টি জড়িত, তাই নিরপেক্ষতা বজায় রাখতে তিনি এটি শুনবেন না। ‘স্বার্থের সংঘাত’ এড়াতে তিনি মামলাটি এমন বিচারপতির বেঞ্চে পাঠানোর নির্দেশ দিয়েছেন যাদের ভবিষ্যতে প্রধান বিচারপতি হওয়ার সম্ভাবনা নেই। আগামী ৭ এপ্রিল অন্য একটি ডিভিশন বেঞ্চে এই চাঞ্চল্যকর মামলার পরবর্তী শুনানি অনুষ্ঠিত হবে।