ইজরায়েল ইরান সংঘাতের আবহে বড় পদক্ষেপ নিলেন নরেন্দ্র মোদী

নয়াদিল্লি: ইরানের প্রেসিডেন্ট ড. মাসুদ পেজেশকিয়ানের সঙ্গে টেলিফোনে দীর্ঘ আলোচনা করলেন প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদী। এই কথোপকথনে প্রধানমন্ত্রী মোদী পবিত্র ইদ এবং ইরানের নববর্ষ ‘নওরোজ’ উপলক্ষে শুভেচ্ছা বিনিময় করেন। দুই নেতার মধ্যে মধ্যপ্রাচ্যের বর্তমান পরিস্থিতি এবং জরুরি নিরাপত্তা সংক্রান্ত বিষয়ে বিস্তারিত কথা হয়েছে।
প্রধানমন্ত্রী মোদী আশা প্রকাশ করেন যে, উৎসবের এই মরশুম সমগ্র পশ্চিম এশিয়ায় শান্তি ও স্থিতিশীলতা বয়ে আনবে। ইজরায়েল ও আমেরিকার সঙ্গে ইরানের চলমান উত্তেজনার প্রেক্ষাপটে মোদীর এই পদক্ষেপ অত্যন্ত তাৎপর্যপূর্ণ। তিনি স্পষ্ট জানান যে, আঞ্চলিক শান্তিই বিশ্ব উন্নয়নের প্রকৃত পথ।
অবকাঠামোতে হামলার তীব্র নিন্দা কথোপকথন চলাকালীন প্রধানমন্ত্রী মোদী পশ্চিম এশিয়ায় গুরুত্বপূর্ণ পরিকাঠামো লক্ষ্য করে চালানো হামলার কড়া সমালোচনা করেন। তিনি জানান, এ ধরনের হামলা বিশ্ব অর্থনীতির ওপর নেতিবাচক প্রভাব ফেলে। সেই সঙ্গে সমুদ্রপথে অবাধ বাণিজ্যের অধিকার রক্ষার ওপর জোর দেন তিনি। ইরানে বসবাসরত ভারতীয়দের নিরাপত্তার জন্য ইরান সরকারকে ধন্যবাদও জানান মোদী।
ভারতের কূটনৈতিক তৎপরতা মধ্যপ্রাচ্যে সংঘাত শুরুর পর থেকেই ভারত আলোচনার মাধ্যমে সংকট সমাধানের পথ খুঁজছে। এর আগে বাহরাইন, কাতার, জর্ডন ও ফ্রান্সের রাষ্ট্রপ্রধানদের সঙ্গেও যোগাযোগ করেছেন মোদী। ভারতের দাবি, হরমুজ প্রণালীর মতো গুরুত্বপূর্ণ আন্তর্জাতিক জলপথ যেন সবসময় নিরাপদ থাকে।
অন্যদিকে, ইজরায়েল ও আমেরিকা ইরানের ওপর হামলার হুঁশিয়ারি দিয়ে রেখেছে। পাল্টা হুঙ্কার ছেড়েছেন ইরানের নতুন সর্বোচ্চ নেতা মোজতবা খামেনেই। এই চরম অস্থিরতার মধ্যেই শান্তির দূত হিসেবে সক্রিয় ভূমিকা পালন করছে ভারত।