চৈত্রেই শীতের আমেজ: ঝোড়ো হাওয়া ও বৃষ্টিতে রাজ্যে তাপমাত্রার ব্যাপক পতন

মার্চের শেষে খামখেয়ালি আবহাওয়ার জেরে দেশজুড়ে বড়সড় বদলের ইঙ্গিত দিয়েছে মৌসম ভবন। উত্তর-পশ্চিম মধ্যপ্রদেশ ও সংলগ্ন এলাকায় সৃষ্ট ঘূর্ণাবর্ত এবং অক্ষরেখার প্রভাবে বঙ্গোপসাগর থেকে প্রচুর জলীয় বাষ্প ঢুকছে। এর ফলে কলকাতা-সহ দক্ষিণবঙ্গের জেলাগুলিতে অকাল বৃষ্টি ও ঝোড়ো হাওয়ার দাপট শুরু হয়েছে। আলিপুর আবহাওয়া দফতরের মতে, এই পরিস্থিতির প্রভাবে আগামী কয়েকদিন উত্তর ও দক্ষিণবঙ্গের তাপমাত্রা স্বাভাবিকের চেয়ে কয়েক ডিগ্রি কম থাকবে।
কলকাতার চিত্রটি সবথেকে অবাক করা, যেখানে পরপর দু’দিনের বৃষ্টিতে সর্বোচ্চ তাপমাত্রা স্বাভাবিকের চেয়ে এক ধাক্কায় ১১ ডিগ্রি কমে ২৩.২ ডিগ্রিতে নেমেছে। উত্তরবঙ্গের দার্জিলিং, কালিম্পং ও জলপাইগুড়িতে বুধবার পর্যন্ত বজ্রবিদ্যুৎ-সহ বৃষ্টির সতর্কতা জারি রয়েছে। অন্যদিকে, দিল্লি-সহ উত্তর ভারতের আকাশ মেঘলা থাকলেও মুম্বইতে গরম ও আর্দ্র আবহাওয়া বজায় রয়েছে। হিমাচল প্রদেশের শিমলায় হালকা তুষারপাতের সম্ভাবনাও প্রকাশ করেছে হাওয়া অফিস।
উপকূলীয় এলাকায় দুর্যোগপূর্ণ আবহাওয়ার কারণে ওড়িশা সংলগ্ন বঙ্গোপসাগর উত্তাল থাকায় মৎস্যজীবীদের সমুদ্রে যেতে নিষেধ করা হয়েছে। রবিবার পূর্ব ও পশ্চিম মেদিনীপুর এবং ঝাড়গ্রামে ঘণ্টায় ৩০ থেকে ৪০ কিলোমিটার বেগে ঝোড়ো হাওয়ার সম্ভাবনা রয়েছে। তবে আগামী তিন দিন পর থেকে পরিস্থিতির উন্নতি হবে এবং পারদ পুনরায় ৩ থেকে ৪ ডিগ্রি বাড়তে পারে। আপাতত রাজ্যজুড়ে বিক্ষিপ্ত বৃষ্টি ও মেঘলা আকাশ বজায় থাকবে।