স্বামীর পরকীয়া মেনে নিতে মাসিক মাসোহারা দাবি স্ত্রীর

দীর্ঘ দশ বছরের দাম্পত্য ও আট বছরের সন্তান থাকা সত্ত্বেও ব্যাংককের বাসিন্দা কুন কোয়াং জানতে পারেন তাঁর স্বামী পরকীয়ায় লিপ্ত। স্বামীর আচরণে পরিবর্তন ও গভীর রাতে বাড়ি ফেরার কারণে সন্দেহ হওয়ায় কুন এক গোয়েন্দা নিয়োগ করেন। তদন্তে উঠে আসে যে তাঁর স্বামী এক মহিলার সাথে বিবাহ-বহির্ভূত সম্পর্কে জড়িয়েছেন। নিজের সংসার টিকিয়ে রাখতে এবং পরিস্থিতির মোকাবিলা করতে কুন এক অভাবনীয় ও অদ্ভুত শর্ত আরোপ করেন।
কুন তাঁর স্বামী ও তাঁর প্রেমিকার কাছে প্রস্তাব রাখেন যে, তিনি এই সম্পর্ক মেনে নেবেন যদি তাঁরা প্রতি মাসে তাঁকে নির্দিষ্ট অর্থ প্রদান করেন। শর্ত অনুযায়ী, স্বামী এবং তাঁর প্রেমিকা উভয়কেই মাসে ১৫ হাজার ভাট করে মোট ৩০ হাজার ভাট (ভারতীয় মুদ্রায় প্রায় ৮৫ হাজার টাকা) কুনকে দিতে হবে। কুনের দাবি, তিনি অর্থের বিনিময়ে স্বামীকে ওই মহিলার কাছে ‘ভাড়া’ দিচ্ছেন। স্বামীর প্রেমিকা এই শর্তে দ্রুত রাজি হয়ে গেলেও কুন কোয়াংয়ের স্বামী প্রথমে আপত্তি জানিয়েছিলেন।
এই চাঞ্চল্যকর ঘটনাটি প্রকাশ্যে আসতেই আইনি মহলে বিতর্ক শুরু হয়েছে। আইন বিশেষজ্ঞ প্যাট আনুসর্ন আসুরাপং জানিয়েছেন যে, অর্থের বিনিময়ে পরকীয়া সম্পর্ক টিকিয়ে রাখা আইনত দণ্ডনীয় অপরাধ। কুন এবং তাঁর স্বামী এখনও বিবাহবিচ্ছেদের পথে না হাঁটলেও, এই বিচিত্র চুক্তিটি সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে ব্যাপক আলোচনার সৃষ্টি করেছে। স্থানীয় সংবাদমাধ্যম সূত্রে জানা গেছে, কুন তাঁর নিজের ও সন্তানের ভবিষ্যৎ নিশ্চিত করতেই এমন ব্যবসায়িক ও কঠিন সিদ্ধান্ত নিয়েছেন।