আরব সাগরে ব্রিটিশ পারমাণবিক ডুবোজাহাজ: ইরান ও ইসরায়েল দ্বন্দ্বে ঘনীভূত হচ্ছে পরমাণু যুদ্ধের মেঘ

আরব সাগরে ব্রিটিশ পারমাণবিক ডুবোজাহাজ: ইরান ও ইসরায়েল দ্বন্দ্বে ঘনীভূত হচ্ছে পরমাণু যুদ্ধের মেঘ

মধ্যপ্রাচ্যে ইরান ও ইসরায়েলের মধ্যে ক্রমবর্ধমান উত্তেজনার পারদ এখন পরমাণু যুদ্ধের আশঙ্কায় রূপ নিচ্ছে। এই সংকটময় পরিস্থিতিতে আরব সাগরে শক্তিশালী পারমাণবিক ডুবোজাহাজ ‘এইচএমএস অ্যানসন’ মোতায়েন করেছে ব্রিটেন। দূরপাল্লার ‘টমাহক ব্লক-ফোর’ ক্রুজ মিসাইল এবং ‘স্পেয়ারফিশ টর্পেডো’ সজ্জিত এই সাবমেরিনটি শত শত মাইল দূরের লক্ষ্যবস্তুতে নিখুঁত আঘাত হানতে সক্ষম। অস্ট্রেলিয়ার পার্থ উপকূল থেকে প্রায় ৮,৮০০ কিলোমিটার জলপথ পাড়ি দিয়ে সম্প্রতি এটি গন্তব্যে পৌঁছেছে।

ব্রিটেনের এই সামরিক পদক্ষেপের ফলে মধ্যপ্রাচ্যের রণকৌশলে বড় ধরনের পরিবর্তন এসেছে। নতুন নীতি অনুযায়ী, আমেরিকা এখন ইরানের বিরুদ্ধে ব্রিটিশ সামরিক ঘাঁটিগুলো ব্যবহারের অনুমতি পেয়েছে। বিশেষ করে হরমুজ প্রণালীতে থাকা ইরানি জাহাজ ও কৌশলগত লক্ষ্যবস্তু ধ্বংস করতে মার্কিন বাহিনী এই সুবিধা কাজে লাগাতে পারবে। ব্রিটিশ নৌসেনার এই ডুবোজাহাজটি সার্বক্ষণিকভাবে নর্থউডে অবস্থিত ‘পার্মানেন্ট জয়েন্ট হেডকোয়ার্টার্স’-এর সঙ্গে যোগাযোগ রক্ষা করে চলছে।

এদিকে সমুদ্রপথে বাণিজ্যিক জাহাজের নিরাপত্তাও বিঘ্নিত হচ্ছে। সংযুক্ত আরব আমিরাতের উপকূলে একটি বাণিজ্যিক বাল্ক ক্যারিয়ারকে লক্ষ্য করে অজ্ঞাত বস্তুর মাধ্যমে বিস্ফোরণ ঘটানো হয়েছে বলে জানা গেছে। যদিও জাহাজের ক্যাপ্টেন জানিয়েছেন যে সমস্ত নাবিক নিরাপদ আছেন, তবুও এই ঘটনা অঞ্চলের নৌ-নিরাপত্তাকে চরম ঝুঁকির মুখে ফেলেছে। ২০ দিনেরও বেশি সময় ধরে চলা এই সংঘাত থামার কোনো লক্ষণ না থাকায় আন্তর্জাতিক মহলে উদ্বেগ বেড়েই চলেছে।

Leave a Comment

Your email address will not be published. Required fields are marked *