মধ্যপ্রাচ্যে যুদ্ধের দামামা! মোদীর হাই-ভোল্টেজ বৈঠকে দেশের জ্বালানি ও সার নিয়ে বড় সিদ্ধান্ত

পশ্চিম এশিয়ার ক্রমবর্ধমান উত্তেজনার মাঝে ভারতের সরবরাহ ব্যবস্থা সচল রাখতে অ্যাকশন মোডে প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদী। রবিবার দিল্লিতে শীর্ষ মন্ত্রীদের নিয়ে এক জরুরি পর্যালোচন বৈঠকে বসেন তিনি। ইরান ও ইজরায়েলের সংঘাতের ফলে বিশ্ববাজারে অস্থিরতা তৈরি হলেও ভারতে পেট্রোলিয়াম, গ্যাস এবং সারের জোগান স্বাভাবিক রাখতে বিশেষ পরিকল্পনা গ্রহণ করেছে কেন্দ্র।
সরবরাহ ও বন্টনে কড়া নজরদারি
স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী অমিত শাহ, প্রতিরক্ষা মন্ত্রী রাজনাথ সিং এবং বিদেশ মন্ত্রী এস জয়শঙ্করের উপস্থিতিতে এই বৈঠকে যুদ্ধের আবহেও দেশের লজিস্টিক সিস্টেম শক্তিশালী রাখার নির্দেশ দেওয়া হয়েছে। হরমুজ প্রণালীতে উত্তেজনার প্রভাবে বিশ্ব তেলের বাজারে প্রভাব পড়লেও ভারতের বন্দরগুলি স্বাভাবিক কাজ করছে। সম্প্রতি আমেরিকার টেক্সাস থেকে এলপিজি বোঝাই জাহাজ নিউ ম্যাঙ্গালোর বন্দরে পৌঁছেছে, যা দেশের মজুত ভাণ্ডারকে আরও সমৃদ্ধ করেছে।
গ্যাস ও ডিজেলের বর্তমান পরিস্থিতি
- ভয় নেই রান্নার গ্যাসে: ঘরোয়া এলপিজি সিলিন্ডার সরবরাহ স্বাভাবিক রয়েছে। প্যানিক বুকিং রুখতে কড়া নজরদারি চালাচ্ছে সরকার।
- পিএনজিতে জোর: এলপিজির ওপর নির্ভরতা কমাতে পাইপলাইনের মাধ্যমে গ্যাস (PNG) সংযোগ দ্রুত করার পরামর্শ দেওয়া হয়েছে রাজ্যগুলোকে।
- ডিজেলের দাম: আন্তর্জাতিক সংকটের জেরে ইন্ডাস্ট্রিয়াল ডিজেলের দাম ২৫% বেড়ে প্রতি লিটার ১০৯.৫৯ টাকা হয়েছে। তবে সাধারণ খুচরো গ্রাহকদের জন্য দাম স্থিতিশীল রাখার আপ্রাণ চেষ্টা চলছে।
জমাখোরি রুখতে দেশজুড়ে গ্যাস এজেন্সিগুলোতে তল্লাশি চালানোর পাশাপাশি পারস্য উপসাগরে থাকা ভারতীয় জাহাজ ও নাবিকদের নিরাপত্তা নিশ্চিত করেছে বিদেশ মন্ত্রক।