মধ্যপ্রাচ্যের উত্তাপে কি বাড়বে তেলের দাম? মোদীর হাইপ্রোফাইল বৈঠকে বড় সিদ্ধান্তের ইঙ্গিত

মধ্যপ্রাচ্যের রণক্ষেত্র পরিস্থিতি আর আকাশছোঁয়া জ্বালানি সঙ্কটের আশঙ্কায় এবার সরাসরি ময়দানে প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদী। রাজধানী দিল্লির ৭ লোক কল্যাণ মার্গে অমিত শাহ, রাজনাথ সিং এবং নির্মলা সীতারামনদের নিয়ে জরুরি বৈঠকে বসলেন প্রধানমন্ত্রী। মূল লক্ষ্য একটাই— যুদ্ধ চললেও দেশে যেন পেট্রোল, ডিজেল আর রান্নার গ্যাসের অভাব না ঘটে।
মোদীর মাস্টারপ্ল্যান ও সরবরাহ রক্ষা
ইরান-ইজরায়েল সংঘাতের জেরে বিশ্বের প্রায় ২০ শতাংশ জ্বালানি সরবরাহের পথ ‘স্ট্রেট অফ হরমুজ’ এখন কার্যত অবরুদ্ধ। এই পরিস্থিতিতে ভারতের বাজারে তেলের জোগান স্বাভাবিক রাখতে সৌদি আরব, কাতার ও সংযুক্ত আরব আমিরশাহি-সহ একাধিক দেশের রাষ্ট্রপ্রধানদের সঙ্গে নিজেই কথা বলেছেন মোদী। সরকার স্পষ্ট জানিয়েছে, বিশ্ববাজারে অস্থিরতা থাকলেও ভারতে সার ও গ্যাসের সরবরাহ সচল রাখতে সবরকম ব্যবস্থা নেওয়া হয়েছে।
স্বস্তিতে আমজনতা, কমছে আতঙ্ক
যুদ্ধের শুরুতে এলপিজি সিলিন্ডার বুকিংয়ের হিড়িক পড়লেও বর্তমানে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে। পাইপড ন্যাচারাল গ্যাস বা পিএনজি সংযোগ বাড়ানোর পাশাপাশি মজুতদারি রুখতে কড়া নজরদারি চালাচ্ছে কেন্দ্র। শিক্ষা প্রতিষ্ঠান ও হাসপাতালগুলোতে অগ্রাধিকার ভিত্তিতে জ্বালানি পৌঁছে দেওয়ার নির্দেশ দেওয়া হয়েছে।
বিদেশে ভারতীয়দের নিরাপত্তা
সংঘাতপূর্ণ এলাকায় আটকে পড়া ভারতীয়দের উদ্ধারেও তৎপর সাউথ ব্লক। দুতাবাসগুলোর মাধ্যমে নিয়মিত যোগাযোগ রাখা হচ্ছে এবং অনেককেই ইতিমধ্যে নিরাপদে দেশে ফিরিয়ে আনা হয়েছে। মধ্যপ্রাচ্যের এই অগ্নিগর্ভ পরিস্থিতিতে দেশের অর্থনীতিকে সুরক্ষিত রাখাই এখন মোদী সরকারের প্রধান চ্যালেঞ্জ।