স্বনির্ভর বাংলার লক্ষ্য: স্থায়ী সরকারের ওপর ভরসা রেখে তৃণমূলের নির্বাচনী প্রচার

স্বনির্ভর বাংলার লক্ষ্য: স্থায়ী সরকারের ওপর ভরসা রেখে তৃণমূলের নির্বাচনী প্রচার

ভোটের উত্তাপের মধ্যে তৃণমূল কংগ্রেস তাদের নির্বাচনী প্রচারে ‘স্থায়ী সরকার’ ও উন্নয়নের জয়গান গেয়ে জনমত গঠনের চেষ্টা চালাচ্ছে। দলের মূল দাবি, গত ১৫ বছরে মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের নেতৃত্বে রাজ্যে যে উন্নয়নের ধারা তৈরি হয়েছে, তা অব্যাহত রাখতেই চতুর্থবারের জন্য জোড়াফুল শিবিরকে বেছে নেওয়া প্রয়োজন। বিরোধীদের মোকাবিলায় তৃণমূল তাদের ইস্তাহারে আগামী পাঁচ বছরে বাংলাকে সম্পূর্ণ স্বনির্ভর করে তোলার অঙ্গীকার করেছে।

দলের সুপ্রিমো মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় স্পষ্ট জানিয়েছেন, আগামী পাঁচ বছরে রাজ্যের অর্থনীতিকে ৪০ লক্ষ কোটি টাকায় উন্নীত করাই তাদের প্রধান লক্ষ্য। ইস্তাহারে ১০ লক্ষ নতুন কর্মসংস্থান, মহিলাদের জন্য নিরাপদ আবাসন এবং প্রতিটি ব্লকে বিশেষ সহায়তা সেল গঠনের প্রতিশ্রুতি দেওয়া হয়েছে। এছাড়া শিল্পোদ্যোগে মহিলাদের অংশগ্রহণ ৫০ শতাংশে উন্নীত করা এবং পশ্চিমবঙ্গকে পূর্ব ভারতের প্রধান ‘মেডিক্যাল ট্যুরিজম’ কেন্দ্র হিসেবে গড়ে তোলার পরিকল্পনাও রয়েছে।

তৃণমূল নেতৃত্বের দাবি, একক সংখ্যাগরিষ্ঠতার স্থায়ী সরকার থাকার কারণেই কেন্দ্রের আর্থিক বঞ্চনা সত্ত্বেও নিজস্ব তহবিলে রাজ্যের প্রকল্পগুলো সচল রাখা সম্ভব হয়েছে। বিধানসভা ভিত্তিক পৃথক ইস্তাহার প্রকাশের মাধ্যমে প্রতিটি অঞ্চলের নির্দিষ্ট উন্নয়নের খতিয়ান মানুষের কাছে পৌঁছে দেওয়ার কৌশল নিয়েছে শাসক দল। কর্মসংস্থান ও নারী নিরাপত্তার পাশাপাশি ‘অপরাজিতা বিল’ কার্যকর করার লড়াইকেও নির্বাচনী প্রচারের অন্যতম হাতিয়ার করেছে ঘাসফুল শিবির।

Leave a Comment

Your email address will not be published. Required fields are marked *