ঘরে ভৌতিক শব্দ আর ওত পেতে থাকা একজোড়া চোখ, তরুণীকে পাগল ভাবলেও শেষে যা দেখল তা কল্পনাকেও হার মানায়

লন্ডন: লন্ডনের কেন্টে ৩১ বছর বয়সী ক্লোই যখন দাবি করেছিলেন যে তার ফ্ল্যাটে কেউ লুকিয়ে আছে, তখন পুলিশ থেকে ডাক্তার সবাই তাকে ‘মানসিক রোগী’ ভেবেছিলেন। দিনের পর দিন অদ্ভুত শব্দ আর কেউ নজর রাখছে এমন আতঙ্কে কাটানো ক্লোইকে দেওয়া হয়েছিল কড়া ডোজের মানসিক ওষুধ। কিন্তু দুই মাস পর পুলিশি তল্লাশিতে যা বেরিয়ে এল, তাতে খোদ দুঁদে অফিসারদেরও পিলে চমকে গেছে।
ক্লোই লক্ষ্য করেছিলেন তার সিলিংয়ের উপরের গোপন দরজা বা ‘লোফট হ্যাচ’ খোলা। মাঝরাতে কারো হাঁটার শব্দ পেলেও কেউ তার কথা বিশ্বাস করেনি। এক রাতে হঠাৎ সেই ছাদের ছোট দরজাটি খুলে জনৈক এক ব্যক্তিকে নিজের দিকে তাকিয়ে থাকতে দেখেন ক্লোই। আতঙ্কে চিৎকার করে বন্ধুদের ডাকলে পুলিশ এসে তল্লাশি চালায়। দেখা যায়, দীর্ঘ দিন ধরে এক ব্যক্তি সেখানে নিজের ব্যাগপত্র নিয়ে চুপিচুপি বসবাস করছিল। ক্লোইকে ভ্রম বা পাগলামির তকমা দেওয়া সমাজ ও প্রশাসন শেষ পর্যন্ত নিজেদের ভুল স্বীকার করতে বাধ্য হয় যখন সেই অনুপ্রবেশকারীকে হাতেনাতে গ্রেপ্তার করা হয়।