যুদ্ধ বন্ধে ইরানকে ট্রাম্পের কঠোর শর্ত, মধ্যপ্রাচ্যে শান্তি ফেরাতে কূটনৈতিক তৎপরতা

মধ্যপ্রাচ্যে চলমান অস্থিরতা নিরসনে ডোনাল্ড ট্রাম্পের প্রশাসন ইরানের সামনে একাধিক কঠোর শর্তারোপ করেছে। শান্তি আলোচনার প্রাথমিক পদক্ষেপে ওয়াশিংটন দাবি জানিয়েছে, ইরানকে আগামী ৫ বছরের জন্য তাদের ক্ষেপণাস্ত্র কর্মসূচি সম্পূর্ণ বন্ধ রাখতে হবে এবং ইউরেনিয়াম সমৃদ্ধকরণ পর্যায়ক্রমে শূন্যে নামিয়ে আনতে হবে। এছাড়া পরমাণু কেন্দ্রগুলো বন্ধ করা এবং হিজবুল্লাহ, হামাস ও হাউথিদের মতো গোষ্ঠীকে সহায়তা বন্ধের শর্তও দেওয়া হয়েছে।
এই সংকট সমাধানে ব্রিটেন, মিশর ও কাতার মধ্যস্থতাকারীর ভূমিকা পালন করলেও তেহরান আমেরিকার এসব দাবি সরাসরি প্রত্যাখ্যান করেছে। ইরানের পক্ষ থেকে পাল্টা ক্ষতিপূরণ দাবি করায় আলোচনার প্রক্রিয়াটি জটিল হয়ে পড়েছে। জারেড কুশনার এবং স্টিভ উইটকফের মতো ট্রাম্প ঘনিষ্ঠরা পরোক্ষভাবে আলোচনা চালিয়ে গেলেও আগামী কয়েক সপ্তাহ এই উত্তেজনা অব্যাহত থাকার আশঙ্কা করা হচ্ছে।
ইরান ও ইসরায়েল-আমেরিকা সংঘাতের জেরে হরমুজ প্রণালী বন্ধ থাকায় বিশ্বজুড়ে জ্বালানি সংকট ঘনীভূত হচ্ছে। এর সরাসরি প্রভাব পড়েছে ভারতেও, যেখানে তেল ও গ্যাসের দাম হু হু করে বাড়ছে। আন্তর্জাতিক এই অস্থিরতা দ্রুত প্রশমিত না হলে ভারতের অর্থনীতিতে বড় ধরনের বিপদের আশঙ্কা করছেন বিশেষজ্ঞরা। ফলে ভারতসহ বিশ্ববাসী এখন ট্রাম্পের শর্ত ও ইরানের প্রতিক্রিয়ার দিকে তাকিয়ে আছে।