বেহালা পূর্বে জয়ের পর এবার পশ্চিমেও আত্মবিশ্বাসী রত্না: জনসংযোগেই শান দিচ্ছেন তৃণমূল প্রার্থী

নিজেই দেওয়ালে রং গুলে দলীয় প্রতীক আঁকছেন, আবার কখনও মেলামেশা করছেন সাধারণ মানুষের সঙ্গে। বেহালা পূর্বের প্রাক্তন বিধায়ক রত্না চট্টোপাধ্যায় এবার বেহালা পশ্চিম বিধানসভা কেন্দ্রে তৃণমূলের বাজি। নিজের ওয়ার্ডের কাউন্সিলর হওয়ার সুবাদে এই এলাকার অলিগলি তাঁর নখদর্পণে। গত নির্বাচনে সেলেব্রিটি প্রার্থীকে হারিয়ে নিজের রাজনৈতিক দক্ষতার প্রমাণ দিয়েছিলেন তিনি। এবারও সেই একই জনসংযোগের মন্ত্রে ভর করে জয়ের ধারা বজায় রাখতে মরিয়া রত্না।
ব্যক্তিগত জীবনের নানা টানাপড়েন এবং চটুল আলোচনাকে গুরুত্ব না দিয়ে আগাগোড়া রাজনীতির ময়দানেই মনোনিবেশ করেছেন তিনি। শোভন-বৈশাখী বিতর্ক নিয়ে সংবাদমাধ্যমের মাতামাতি থাকলেও, রত্না নিজেকে দলের একনিষ্ঠ কর্মী হিসেবে তুলে ধরেছেন। মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় ও অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়ের আস্থাভাজন এই নেত্রী ব্যক্তিগত সংকটের ঊর্ধ্বে গিয়ে জনহিতকর কাজে নিজেকে সঁপে দিয়েছেন। তাঁর এই লড়াকু মানসিকতা তৃণমূল শিবিরের আত্মবিশ্বাসকে আরও বাড়িয়ে তুলেছে।
১৮ তারিখ সকাল থেকেই অনুগামীদের নিয়ে প্রচার অভিযানে নেমে পড়েছেন তিনি। বেহালার ঘরের মেয়ে হিসেবে পরিচিত রত্না চট্টোপাধ্যায়ের প্রধান অস্ত্র তাঁর অনাড়ম্বর জীবনযাপন ও সাধারণ মানুষের সঙ্গে নিবিড় যোগাযোগ। গতবারের জয়ের পর সমর্থকদের সেই বাঁধভাঙা উচ্ছ্বাস এবারও ফিরে পেতে চাইছেন তিনি। প্রচারের ময়দানে রত্নার এই সক্রিয়তা ও নিষ্ঠা বেহালা পশ্চিমের রাজনৈতিক সমীকরণকে যে যথেষ্ট মজবুত করছে, তা নিয়ে কোনো সন্দেহ নেই।