আইপিএল সম্প্রচার নিয়ে সুর নরম বাংলাদেশের, কাটতে পারে দীর্ঘদিনের জট

মুস্তাফিজুর রহমানকে কলকাতা নাইট রাইডার্স থেকে বাদ দেওয়ার প্রেক্ষিতে আইপিএল সম্প্রচার ও বিজ্ঞাপনে যে নিষেধাজ্ঞা জারি করেছিল বাংলাদেশের বিগত অন্তর্বর্তী সরকার, তা প্রত্যাহারের ইঙ্গিত মিলেছে। ভারতের সঙ্গে ক্রীড়াক্ষেত্রে সুসম্পর্ক বজায় রাখতে এবং আইপিএলকে কেন্দ্র করে তৈরি হওয়া অচলাবস্থা কাটাতে তৎপর হয়েছে সেদেশের নবনির্বাচিত সরকার। সম্প্রতি বাংলাদেশের যুব ও ক্রীড়ামন্ত্রী আমিনুল হক জানিয়েছেন, ক্রীড়াক্ষেত্রে রাজনীতির অনুপ্রবেশ কাম্য নয় এবং বিসিবির সঙ্গে আলোচনার মাধ্যমে এই বিষয়ে দ্রুত ইতিবাচক সিদ্ধান্ত নেওয়া হতে পারে।
গত বছর ৯.২০ কোটি টাকায় মুস্তাফিজুরকে কিনেও বিসিসিআইয়ের নির্দেশে কেকেআর তাকে ছেড়ে দিলে দুই দেশের ক্রিকেটীয় সম্পর্কে টানাপোড়েন শুরু হয়। এর প্রতিক্রিয়ায় আইপিএল সম্প্রচার বন্ধের পাশাপাশি ভারতের মাটিতে টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপেও অংশ নেয়নি বাংলাদেশ, যার ফলে তাদের পরিবর্তে স্কটল্যান্ডকে সুযোগ দেওয়া হয়। তবে বর্তমান প্রশাসন মনে করছে, এই নিষেধাজ্ঞা দ্বিপাক্ষিক সম্পর্কের ওপর নেতিবাচক প্রভাব ফেলছে, যা কাটিয়ে ওঠা জরুরি।
আগামী ২৮ তারিখ থেকে শুরু হতে চলা বিশ্বের অন্যতম জনপ্রিয় এই টি-টোয়েন্টি লিগের সম্প্রচার নিয়ে এখন চূড়ান্ত সিদ্ধান্তের অপেক্ষায় ক্রিকেটপ্রেমীরা। ইদের ছুটির পর ক্রিকেট বোর্ডের সঙ্গে বৈঠক করে সরকার তাদের অবস্থান স্পষ্ট করবে। ক্রীড়ামন্ত্রীর বক্তব্যে স্পষ্ট যে, অতীতের তিক্ততা ভুলে ভারতের সঙ্গে বন্ধুত্বপূর্ণ ক্রিকেটীয় পরিবেশ ফিরিয়ে আনাই এখন বাংলাদেশের মূল লক্ষ্য। এর ফলে কোটিপতি লিগের সম্প্রচার নিয়ে ঘনীভূত মেঘ শেষ পর্যন্ত কাটবে বলেই আশা করা হচ্ছে।