ইরানের তেল সাম্রাজ্যে মার্কিন হানা, খার্গ দ্বীপ দখলে রণসজ্জায় ৫০০০ সেনা

ইরানের অর্থনীতির মূল ভিত্তি খার্গ দ্বীপ দখলে বড়সড় সামরিক অভিযান শুরু করেছে আমেরিকা। প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের নির্দেশে মধ্যপ্রাচ্যে ৫ হাজারেরও বেশি সেনা এবং অত্যাধুনিক এফ-৩৫ যুদ্ধবিমান পাঠানো হচ্ছে। পারস্য উপসাগরে অবস্থিত এই দ্বীপটি ইরানের তেল রপ্তানির প্রধান কেন্দ্র, যেখান থেকে দৈনিক ১.৫ মিলিয়ন ব্যারেল তেল সরবরাহ করা হয়। মার্কিন প্রশাসনের লক্ষ্য এই কৌশলগত অঞ্চলটি দখলের মাধ্যমে তেহরানের আর্থিক মেরুদণ্ড ভেঙে দেওয়া।
ইজরায়েলি সূত্রের দাবি, আকাশপথের পাশাপাশি এবার সরাসরি স্থল অভিযানে নামছে মার্কিন বাহিনী। অবরুদ্ধ হরমুজ প্রণালী পুনর্দখল এবং ইরানকে সমঝোতায় বাধ্য করতেই এই পদক্ষেপ নেওয়া হয়েছে। যুদ্ধের প্রভাবে বিশ্ববাজারে তেলের সরবরাহ সচল রাখা আমেরিকার জন্য বড় চ্যালেঞ্জ হয়ে দাঁড়িয়েছে। বিশ্লেষকদের মতে, শুধুমাত্র বিমান হামলায় ইরানকে কাবু করা আসাম্ভব জেনেই ট্রাম্প প্রশাসন সরাসরি সেনা মোতায়েনের পথে হাঁটছে।
পাল্টা হুঁশিয়ারি দিয়ে ইরান জানিয়েছে, উপকূলীয় অঞ্চলে কোনো হামলা হলে পারস্য উপসাগরের প্রবেশপথে ল্যান্ডমাইন বিছিয়ে দেওয়া হবে। ইরানের প্রতিরক্ষা পরিষদ স্পষ্ট করেছে যে, তারা যেকোনো মূল্যে নিজেদের ভূখণ্ড রক্ষা করবে। বর্তমানে এই দ্বীপটি ইরানের বিশাল সামরিক ঘাঁটি এবং তেল ভাণ্ডারে পরিপূর্ণ। দুই দেশের এই মুখোমুখি অবস্থানে মধ্যপ্রাচ্যের পরিস্থিতি চরম উত্তপ্ত হয়ে উঠেছে, যা বিশ্ব অর্থনীতিতে বড় প্রভাব ফেলতে পারে।