রাজ্যে কি ‘অপ্রত্যাশিত জরুরি অবস্থা’? নবান্নের রদবদল নিয়ে হাইকোর্টে তোপ কল্যাণের

কলকাতা: বিধানসভা ভোটের মুখে রাজ্যে আইএএস এবং পুলিশ কর্তাদের গণ-বদলি নিয়ে উত্তাল কলকাতা হাইকোর্ট। মুখ্যসচিব ও স্বরাষ্ট্রসচিব থেকে শুরু করে ৮০ জনেরও বেশি পদস্থ আধিকারিককে সরিয়ে দেওয়ার কমিশনের সিদ্ধান্তকে ‘অপ্রত্যাশিত জরুরি অবস্থা’ বলে উল্লেখ করলেন আইনজীবী তথা তৃণমূল সাংসদ কল্যাণ বন্দ্যোপাধ্যায়।
সোমবার প্রধান বিচারপতি সুজয় পালের ডিভিশন বেঞ্চে এই মামলার শুনানিতে কল্যাণ প্রশ্ন তোলেন, ৩৫৬ ধারা জারি না করেই কীভাবে কার্যত সমান্তরাল প্রশাসন চালাচ্ছে কমিশন? তাঁর দাবি, ১৬ জন আইএএস এবং ৬৩ জন পুলিশ অফিসারকে সরিয়ে রাজ্যে এক নজিরবিহীন শূন্যতা তৈরি করা হয়েছে। বিশেষ করে পঞ্চায়েত সচিব বা কলকাতা পুলিশ কমিশনারের মতো পদাধিকারীদের সরানোর যৌক্তিকতা নিয়ে সওয়াল করেন তিনি।
রাজ্যের অ্যাডভোকেট জেনারেল কিশোর দত্ত আদালতে জানান, যারা সরাসরি ভোটের কাজের সঙ্গে যুক্ত নন, তাঁদের সরানোর এক্তিয়ার কমিশনের আছে কি না তা খতিয়ে দেখা প্রয়োজন। অন্যদিকে, নির্বাচন কমিশনের আইনজীবী এই জনস্বার্থ মামলার গ্রহণযোগ্যতা নিয়েই প্রশ্ন তুলেছেন। কমিশনের দাবি, অবাধ ও সুষ্ঠু নির্বাচনের স্বার্থেই এই পদক্ষেপ এবং অন্যান্য রাজ্যেও একই নিয়ম মানা হয়েছে। এই সংক্রান্ত তালিকা বুধবার আদালতে জমা দেবে কমিশন। নবান্ন বনাম নির্বাচন কমিশনের এই আইনি লড়াইয়ের পরবর্তী শুনানি বুধবার।