বিশ্বশান্তিতে মোদী ম্যাজিক মধ্যপ্রাচ্যের যুদ্ধ থামাতে এবার বড় পদক্ষেপ ভারতের

পশ্চিম এশিয়ার ক্রমবর্ধমান উত্তেজনা প্রশমনে এক অনন্য কূটনৈতিক চাল চাললেন প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদী। ইরানসহ বিশ্বের একাধিক প্রভাবশালী রাষ্ট্রপ্রধানদের সঙ্গে সরাসরি কথা বলে শান্তির আবেদন জানিয়েছেন তিনি। বিশেষ করে ইরানের প্রেসিডেন্টের সঙ্গে ফোনালাপে প্রধানমন্ত্রী স্পষ্ট করেছেন যে, অসামরিক এলাকা এবং গুরুত্বপূর্ণ পরিকাঠামোয় হামলা কোনোভাবেই গ্রহণযোগ্য নয়।
ভারতের এই সক্রিয়তার নেপথ্যে রয়েছে বৈশ্বিক অর্থনীতি ও জ্বালানি নিরাপত্তার স্বার্থ। হরমুজ প্রণালীর মতো গুরুত্বপূর্ণ সামুদ্রিক বাণিজ্য পথ বন্ধ হয়ে গেলে বিশ্বজুড়ে তেল ও গ্যাসের সরবরাহ ব্যবস্থা ভেঙে পড়ার আশঙ্কা রয়েছে। বিদেশ মন্ত্রকের মুখপাত্র রণধীর জয়সওয়াল জানিয়েছেন, ফেব্রুয়ারির শেষ থেকে পরিস্থিতির ওপর কড়া নজর রাখছে দিল্লি।
যুদ্ধের এই আবহে মধ্যপ্রাচ্যে বসবাসরত ভারতীয় নাগরিকদের নিরাপত্তা নিশ্চিত করাকে সর্বোচ্চ অগ্রাধিকার দেওয়া হয়েছে। ইরান সরকার ইতিমধ্যেই ভারতীয়দের সুরক্ষার বিষয়ে ভারতকে আশ্বস্ত করেছে। ইজরায়েল ও ইরানের পাল্টাপাল্টি হামলায় যখন গোটা বিশ্ব সিঁদুরে মেঘ দেখছে, তখন ভারতের এই ‘ব্যালেন্সিং অ্যাক্ট’ আন্তর্জাতিক মহলে বিশেষ গুরুত্ব পাচ্ছে।
পশ্চিম এশিয়া সংকটে ভারতের প্রধান উদ্বেগসমূহ
- জ্বালানি নিরাপত্তা: হরমুজ প্রণালী দিয়ে প্রবাহিত অপরিশোধিত তেলের নিরবচ্ছিন্ন সরবরাহ বজায় রাখা।
- প্রবাসী ভারতীয়: সংঘাতপূর্ণ এলাকায় অবস্থানরত লক্ষ লক্ষ ভারতীয় শ্রমিকের নিরাপত্তা।
- অর্থনৈতিক স্থিতিশীলতা: বিশ্ব অর্থনীতিতে মুদ্রাস্ফীতি রুখতে যুদ্ধবিরতির প্রয়োজনীয়তা।