মালদহে কংগ্রেসের ‘একলা চলো’ নীতি: বিধানসভা নির্বাচনে ফ্যাক্টর হওয়ার লক্ষ্যে মরিয়া হাত শিবির

মালদহে কংগ্রেসের ‘একলা চলো’ নীতি: বিধানসভা নির্বাচনে ফ্যাক্টর হওয়ার লক্ষ্যে মরিয়া হাত শিবির

বামফ্রন্টের সঙ্গে এক দশকের জোট ছিন্ন করে মালদহে ‘স্বাবলম্বী’ হওয়ার পথে হাঁটছে কংগ্রেস। আসন্ন বিধানসভা নির্বাচনে জেলার ১২টি আসনেই প্রার্থী দিয়ে নিজেদের হারানো জমি পুনরুদ্ধারে মরিয়া তারা। রাজনৈতিক মহলের মতে, জোটের রাজনীতির প্রভাবে সংগঠনের ক্ষতি হলেও মালদহ এখনো কংগ্রেসের অন্যতম শক্ত ঘাঁটি। দলীয় নেতৃত্ব আত্মবিশ্বাসী যে, পূর্ণাঙ্গ প্রার্থী তালিকা ঘোষণার মাধ্যমে তারা এবার নির্বাচনি লড়াইয়ে বড় ভূমিকা পালন করবে।

তৃণমূল ও বিজেপি ইতিমধ্যেই প্রার্থী ঘোষণা করলেও কংগ্রেসের দেরিতে আসা নিয়ে চর্চা শুরু হয়েছে। তবে বৈষ্ণবনগর ও সুজাপুরের মতো কেন্দ্রগুলোতে গনিখান চৌধুরীর পরিবারের ঐতিহ্যবাহী ভোটব্যাঙ্ক কংগ্রেসের বড় ভরসা। গত নির্বাচনে তৃণমূলের কাছে সুজাপুরে বড় ব্যবধানে হারলেও, সাম্প্রতিক লোকসভা নির্বাচনে ঈশা খান চৌধুরীর লিড দলকে নতুন করে আশাবাদী করে তুলেছে। ইংলিশবাজারের মতো গুরুত্বপূর্ণ এলাকাতেও নিজেদের প্রভাব ফিরে পেতে সচেষ্ট কোতোয়ালি ভবন।

কংগ্রেসের এই সক্রিয়তাকে অবশ্য গুরুত্ব দিতে নারাজ শাসক ও বিরোধী শিবির। তৃণমূলের দাবি, বিধানসভা ভোট হবে মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের উন্নয়নের নিরিখে, যেখানে কংগ্রেসের বিশেষ প্রভাব থাকবে না। অন্যদিকে, বিজেপিও কংগ্রেসকে মূল প্রতিদ্বন্দ্বী হিসেবে মানতে নারাজ। তা সত্ত্বেও রাজনৈতিক বিশ্লেষকদের মতে, মালদহের বেশ কিছু আসনে ভোট কাটাকাটির অঙ্কে জয়-পরাজয় নির্ধারণে কংগ্রেসই শেষ পর্যন্ত নির্ণায়ক শক্তি বা ‘ফ্যাক্টর’ হয়ে উঠতে পারে।

Leave a Comment

Your email address will not be published. Required fields are marked *