দুবরাজপুরে জয়ের লক্ষ্যে মরিয়া বিজয় বাগদি, দুশ্চিন্তার কারণ নির্বাচনী প্রতীক ‘সিংহ’

তৃণমূল ও বিজেপির দেওয়াল লিখনের দাপটে দুবরাজপুর বিধানসভায় কোণঠাসা ফরওয়ার্ড ব্লক প্রার্থী বিজয় বাগদি। ১৯৮৭ থেকে ২০১৬ পর্যন্ত টানা ২৯ বছরের বিধায়ক হয়েও সাধারণ জীবনযাপনে অভ্যস্ত এই বাম নেতা এবার হারানো জমি পুনরুদ্ধারে নেমেছেন। তবে প্রচারের ময়দানে বড় বাধা হয়ে দাঁড়িয়েছে দলীয় প্রতীক ‘সিংহ’ আঁকার দক্ষ শিল্পীর অভাব। পূর্বতন শিল্পী তপন বাগদির প্রয়াণের পর নতুন শিল্পী চড়া পারিশ্রমিক চাওয়ায় দুশ্চিন্তায় পড়েছেন বর্ষীয়ান এই প্রার্থী।
২০১৬ সালে তৃণমূলের নরেশ বাউড়ির কাছে পরাজিত হওয়ার পর এলাকায় বামেদের শক্তিক্ষয় শুরু হয়। ২০২১ সালে এই আসনটি বিজেপির অনুপ সাহার দখলে চলে যাওয়ায় এবার লড়াই আরও কঠিন হয়ে পড়েছে। নিজের স্বচ্ছ ভাবমূর্তি ও দীর্ঘদিনের জনসংযোগকে পুঁজি করে বিজয়বাবু লড়াই দিলেও, বুথ স্তরে কর্মীদের অন্য শিবিরে চলে যাওয়া বড় চ্যালেঞ্জ হয়ে দাঁড়িয়েছে। বর্তমানে খয়রাশোল পার্টি অফিস থেকে পুরনো কর্মীদের ফেরানোর মরিয়া চেষ্টা চালাচ্ছেন তিনি।
আর্থিক সীমাবদ্ধতা ও দক্ষ শিল্পীর অভাবে দেওয়াল লিখন থমকে থাকায় বিজয় বাগদি নিজেই তুলি ধরার কথা ভাবছেন। পেশাদার শিল্পী দিনে প্রায় তিন হাজার টাকা পারিশ্রমিক চাওয়ায় পেনশনের টাকায় চলা প্রার্থীর পক্ষে তা বহন করা আসাম্ভব হয়ে পড়েছে। জোড়া ফুল ও পদ্ম শিবিরের ঝকঝকে প্রচারের ভিড়ে নিজের অস্তিত্ব টিকিয়ে রাখতে সততা ও সাধারণ মানুষের আশীর্বাদই এখন বিজয়বাবুর প্রধান ভরসা।