রায়দিঘিতে বিজেপি নেতার ক্ষতবিক্ষত দেহ উদ্ধার: রাজনৈতিক সংঘর্ষ নাকি পরকীয়া? ঘনীভূত রহস্য

রায়দিঘিতে বিজেপি নেতার ক্ষতবিক্ষত দেহ উদ্ধার: রাজনৈতিক সংঘর্ষ নাকি পরকীয়া? ঘনীভূত রহস্য

রায়দিঘি বিধানসভার দিঘিরপাড় বকুলতলা গ্রাম পঞ্চায়েত এলাকায় বিজেপি নেতা কিশোর মাঝির (৩৯) ক্ষতবিক্ষত দেহ উদ্ধারকে কেন্দ্র করে ব্যাপক চাঞ্চল্য ছড়িয়েছে। সোমবার গভীর রাতে বাড়ি থেকে সামান্য দূরে পুকুর পাড়ে তাঁর দেহ পড়ে থাকতে দেখেন স্থানীয়রা। তড়িঘড়ি রায়দিঘি গ্রামীণ হাসপাতালে নিয়ে যাওয়া হলে চিকিৎসকরা তাঁকে মৃত ঘোষণা করেন। খবর পেয়ে পুলিশ দেহটি উদ্ধার করে ময়নাতদন্তের জন্য পাঠিয়েছে।

ঘটনাকে কেন্দ্র করে শুরু হয়েছে তীব্র রাজনৈতিক তরজা। নিহত কিশোর স্থানীয় ২১৬ নম্বর বুথের বিজেপির সহ-সভাপতি ছিলেন। বিজেপির দাবি, ভোট ঘোষণার পর থেকেই তাঁকে হুমকি দেওয়া হচ্ছিল এবং তৃণমূল আশ্রিত দুষ্কৃতীরাই এই পরিকল্পিত খুন করেছে। পাল্টা মথুরাপুর লোকসভার সাংসদ বাপি হালদার এই অভিযোগ অস্বীকার করে জানিয়েছেন, তৃণমূল খুনের রাজনীতিতে বিশ্বাসী নয়, এটি ব্যক্তিগত বিবাদের জেরে ঘটা ঘটনা।

প্রাথমিক তদন্তে পুলিশ জানিয়েছে, ঘটনার নেপথ্যে বিবাহবহির্ভূত সম্পর্কের যোগ থাকতে পারে। নিহতের স্ত্রী অনিমা দাস ও তাঁর প্রেমিক গোবিন্দ হালদারকে ইতিমধ্যেই গ্রেপ্তার করেছে রায়দিঘি থানার পুলিশ। পুলিশের অনুমান, ত্রিকোণ প্রেমের জেরেই এই হত্যাকাণ্ড ঘটেছে। তবে এটি রাজনৈতিক প্রতিহিংসা নাকি পারিবারিক কলহ, তা নিশ্চিত করতে সবকটি দিক খতিয়ে দেখে বিস্তারিত তদন্ত শুরু করেছে বারুইপুর জেলা পুলিশ।

Leave a Comment

Your email address will not be published. Required fields are marked *