২০৩৪ সালে কার্যকর হতে পারে ‘এক দেশ এক ভোট’, সাশ্রয় হবে ৭ লক্ষ কোটি টাকা

২০৩৪ সালে কার্যকর হতে পারে ‘এক দেশ এক ভোট’, সাশ্রয় হবে ৭ লক্ষ কোটি টাকা

‘এক দেশ এক ভোট’ নীতি বাস্তবায়নের রূপরেখা স্পষ্ট করলেন যৌথ সংসদীয় কমিটির প্রধান পি পি চৌধুরী। তিনি জানিয়েছেন, ২০২৯ সালে নয়, বরং ২০৩৪ সাল নাগাদ এই মেগা পরিকল্পনা কার্যকর হওয়ার সম্ভাবনা রয়েছে। এই প্রক্রিয়া বাস্তবায়িত করতে ২০২৯ সালের লোকসভা নির্বাচনের পর বিভিন্ন রাজ্যে সফর করবে সংসদীয় কমিটি এবং পরবর্তীতে সংসদে আইন পাসের মাধ্যমে এটি চূড়ান্ত করা হবে। বিষয়টি সময়সাপেক্ষ হওয়ায় ২০৩৪ সালের প্রথমার্ধকেই লক্ষ্যমাত্রা ধরা হয়েছে।

কমিটির প্রধানের দাবি, এই নীতি কার্যকর হলে সরকারি কোষাগারের প্রায় ৭ লক্ষ কোটি টাকা সাশ্রয় হতে পারে। পরিসংখ্যানে দেখা গেছে, ২০১৪ সালে নির্বাচনী ব্যয় যেখানে ছিল ১৮ লক্ষ কোটি টাকা, ২০২৬ সালে তা বেড়ে দাঁড়িয়েছে ৫৫ লক্ষ কোটি টাকায়। এই ক্রমবর্ধমান ব্যয় নিয়ন্ত্রণ এবং উন্নয়নের গতি সচল রাখতেই কেন্দ্র এই পদক্ষেপ নিতে আগ্রহী। তবে অতিরিক্ত ইভিএম ও নিরাপত্তা জনিত খরচের সঠিক হিসাব এখনও প্রক্রিয়াধীন রয়েছে।

এই পরিকল্পনা বাস্তবায়নে ১২৯তম সংবিধান সংশোধনীর পথে হাঁটছে কেন্দ্র, যা নিয়ে ইতিমধ্যেই আপত্তি তুলেছে বিরোধী দলগুলো। বিরোধীদের মতে, এই পদক্ষেপ দেশের যুক্তরাষ্ট্রীয় কাঠামোর পরিপন্থী। নিয়ম অনুযায়ী, ২০৩৪ সালে লোকসভা ও বিধানসভা নির্বাচন একসঙ্গে করার লক্ষ্য নেওয়া হয়েছে এবং পরবর্তী ধাপে পুরসভা ও পঞ্চায়েত ভোটকেও এর আওতায় আনা হতে পারে। এই প্রক্রিয়ায় ২০২৯ পরবর্তী সময়ে কিছু রাজ্যের বিধানসভার মেয়াদ কমার সম্ভাবনাও রয়েছে।

Leave a Comment

Your email address will not be published. Required fields are marked *