ট্রাম্পের মাস্টারস্ট্রোক! আমেরিকা-ইরান যুদ্ধ থামাতে ঐতিহাসিক বৈঠকের কেন্দ্রবিন্দুতে পাকিস্তান

মধ্যপ্রাচ্যের রণক্ষেত্রে কি অবশেষে শান্তির সুবাতাস বইবে? মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের একটি সোশ্যাল মিডিয়া পোস্ট ঘিরে বিশ্বজুড়ে শুরু হয়েছে তুমুল হইচই। ইরান ও আমেরিকার মধ্যে চলমান রক্তক্ষয়ী সংঘাত বন্ধে এবার মধ্যস্থতাকারীর ভূমিকায় অবতীর্ণ হতে চলেছে পাকিস্তান। প্রধানমন্ত্রী শাহবাজ শরিফের আমন্ত্রণে ট্রাম্পের সবুজ সংকেত এই ইঙ্গিতই দিচ্ছে যে, ইসলামাবাদেই বসতে চলেছে শান্তি আলোচনার হাই-প্রোফাইল আসর।
আলোচনার টেবিলে কারা থাকছেন?
এখনও পর্যন্ত পাওয়া খবর অনুযায়ী, এই ঐতিহাসিক বৈঠকে আমেরিকার পক্ষে থাকতে পারেন ট্রাম্পের প্রধান উপদেষ্টা জেয়ার্ড কুশনার এবং স্টিভ উইটকফ। এমনকি খোদ মার্কিন ভাইস প্রেসিডেন্ট জেডি ভ্যান্সও এই প্রতিনিধি দলে যোগ দিতে পারেন বলে জোরালো সম্ভাবনা রয়েছে। অন্যদিকে, ইরানের পক্ষে দেশটির পার্লামেন্ট স্পিকার মোহাম্মদ বাঘের গালিবাফ প্রতিনিধিত্ব করতে পারেন।
পর্দার আড়ালে পাকিস্তানের সেনাপ্রধান
পুরো প্রক্রিয়ার পেছনে পাকিস্তানের সেনাপ্রধান ফিল্ড মার্শাল অসীম মুনিরের বড় ধরনের ভূমিকা রয়েছে বলে মনে করা হচ্ছে। কূটনৈতিক সূত্রের দাবি, প্রায় দুই সপ্তাহ আগেই মুনির মার্কিন প্রতিনিধিদের সাথে গোপন বৈঠক সেরেছেন। যদিও পাকিস্তান সরকার আনুষ্ঠানিকভাবে এ নিয়ে মুখ খোলেনি, তবে শাহবাজ শরিফ ইতিমধ্যে ইরানের প্রেসিডেন্ট মাসুদ পাজেশকিয়ানের সাথে কথা বলে আলোচনার পথ প্রশস্ত করেছেন।
নোবেল জয়ের লক্ষ্যে ট্রাম্প?
বিশ্লেষকদের মতে, নিজের দ্বিতীয় মেয়াদে বিশ্বজুড়ে যুদ্ধ থামিয়ে ‘শান্তি দূত’ হিসেবে নিজেকে প্রতিষ্ঠিত করতে মরিয়া ডোনাল্ড ট্রাম্প। এমনকি ভারত-পাকিস্তান সংঘাত থামানোর কৃতিত্বও নিজের ঝুলিতে পুরেছেন তিনি। এখন পাকিস্তান ও ইরানের সাথে এই ত্রিপক্ষীয় সমীকরণ তাকে নোবেল শান্তি পুরস্কারের কতটা কাছাকাছি নিয়ে যায়, সেটাই দেখার বিষয়।