পেট্রল পাম্পে তেলের আকাল নাকি কারসাজি? তিন মাসের বড় পরিকল্পনায় নামছে প্রশাসন

ইরান-যুক্তরাষ্ট্র যুদ্ধ পরিস্থিতির প্রভাবে দেশের জ্বালানি খাতে অস্থিরতা দেখা দিলেও সরকার আশ্বস্ত করেছে যে পর্যাপ্ত মজুত নিশ্চিত করা হচ্ছে। বিদ্যুৎ ও জ্বালানি মন্ত্রী ইকবাল হাসান মাহমুদ টুকু জানিয়েছেন, তিন মাসের ‘বাফার স্টক’ তৈরির কাজ চলছে এবং বর্তমানে তেলের কোনো প্রকৃত সংকট নেই। মূলত একটি চক্র যুদ্ধের সুযোগ নিয়ে মজুতদারি ও কালোবাজারি করায় পাম্পগুলোতে দীর্ঘ লাইন সৃষ্টি হচ্ছে।
বিপিসি-র তথ্যমতে, দেশে বর্তমানে ডিজেল, পেট্রল ও অকটেনের যে মজুত আছে এবং পথে থাকা জাহাজগুলো বন্দরে পৌঁছালে এপ্রিল মাসেও কোনো সংকট হবে না। তবে বিশ্ববাজারে তেলের দাম বাড়ায় সরকারকে লিটার প্রতি ৬০ টাকা পর্যন্ত ভর্তুকি দিতে হচ্ছে। পরিস্থিতি সামাল দিতে আইএমএফসহ আন্তর্জাতিক সংস্থাগুলোর সঙ্গে ঋণের আলোচনা শুরু করেছে সরকার। অন্যদিকে, অর্থনীতিবিদরা বর্তমান অনিশ্চয়তা মোকাবিলায় দ্রুত জ্বালানি রেশনিং ব্যবস্থা চালুর পরামর্শ দিয়েছেন। প্রশাসনিক নজরদারি বাড়িয়ে কৃত্রিম সংকট রোখাই এখন সরকারের প্রধান চ্যালেঞ্জ।