বকেয়া ডিএ মেটাতে নবান্নের তৎপরতা, চালু হলো অর্থ দপ্তরের বিশেষ পোর্টাল
.jpeg.webp?w=1200&resize=1200,800&ssl=1)
সুপ্রিম কোর্টের কড়া নির্দেশের পর রাজ্য সরকারি কর্মচারীদের বকেয়া মহার্ঘ ভাতা (ডিএ) মেটাতে সক্রিয় হয়েছে নবান্ন। আদালতের বেঁধে দেওয়া সময়সীমা মেনে চলতি সপ্তাহেই অর্থ দপ্তরের তরফে একটি বিশেষ পোর্টাল চালু করা হয়েছে। এর মাধ্যমে ২০১৬ সালের জানুয়ারি থেকে ২০১৯ সালের ডিসেম্বর পর্যন্ত বকেয়া ডিএ-র হিসেব আপলোড করতে শুরু করেছেন কর্মীরা। আগামী ৩১ মার্চের মধ্যে প্রথম কিস্তির ২৫ শতাংশ টাকা মেটানোর লক্ষ্যমাত্রা নেওয়া হয়েছে।
তবে এই প্রক্রিয়া ঘিরে প্রশাসনিক মহলে দানা বেঁধেছে নানা সংশয়। ডিএ প্রদানের ক্ষেত্রে প্রয়োজনীয় ‘স্ট্যান্ডার্ড অপারেটিং প্রসিডিওর’ বা এসওপি এখনও জারি না হওয়ায় তথ্য যাচাই ও নির্ভুলভাবে টাকা মেটানো নিয়ে জটিলতা তৈরি হয়েছে। নবান্নের শীর্ষ আধিকারিকদের একাংশের মতে, সুনির্দিষ্ট নির্দেশিকা ছাড়া এত অল্প সময়ে কয়েক লক্ষ কর্মীর পাওনাগণ্ডা মেটানো প্রায় আসাম্ভব হয়ে দাঁড়াচ্ছে।
অন্যদিকে, পোর্টালে তথ্য আপলোড নিয়ে বৈষম্যের অভিযোগ তুলেছে বিভিন্ন শিক্ষক ও কর্মচারী সংগঠন। তাদের দাবি, পোর্টালে কেবল সরাসরি সরকারি কর্মীরাই সুযোগ পাচ্ছেন; অথচ মুখ্যমন্ত্রী অনুদানপ্রাপ্ত প্রতিষ্ঠান, পঞ্চায়েত ও পুরকর্মীদেরও বকেয়া ডিএ দেওয়ার প্রতিশ্রুতি দিয়েছিলেন। এই বিশাল সংখ্যক কর্মী প্রথম কিস্তির টাকা থেকে বঞ্চিত হবেন কি না, তা নিয়ে তৈরি হয়েছে তীব্র বিতর্ক। এখন নবান্নের পরবর্তী পদক্ষেপের দিকেই তাকিয়ে কয়েক লক্ষ চাকরিজীবী।