পিয়ংইয়ংয়ে দুই মহাশক্তির মিলন কি কাঁপিয়ে দেবে ওয়াশিংটনকে

বেলারুশ ও উত্তর কোরিয়ার বন্ধুত্বে নতুন মোড়। পিয়ংইয়ং সফরে গিয়ে কিম জং উনের সঙ্গে ঐতিহাসিক মৈত্রী চুক্তিতে সই করলেন আলেকজান্ডার লুকাশেঙ্কো। ইউক্রেন যুদ্ধে পুতিনের দুই ঘনিষ্ঠ মিত্রের এই সংহতি পশ্চিমী দুনিয়া ও আমেরিকার ওপর বড়সড় ভূ-রাজনৈতিক চাপ তৈরি করতে পারে বলে ধারণা করা হচ্ছে।
মস্কোর সমর্থনে ইউক্রেন যুদ্ধে উত্তর কোরিয়া যেমন সেনা ও গোলাবারুদ দিয়ে সাহায্য করেছে, ঠিক তেমনই বেলারুশ নিজের জমিকে রুশ বাহিনীর লঞ্চপ্যাড হিসেবে ব্যবহার করতে দিয়েছে। পিয়ংইয়ংয়ে লুকাশেঙ্কোকে ২১ বার তোপধ্বনি ও সাদা ঘোড়সওয়ার বাহিনীর কুচকাওয়াজে রাজকীয় অভ্যর্থনা জানানো হয়। উপহার হিসেবে কিমের হাতে একটি অ্যাসল্ট রাইফেল তুলে দেন বেলারুশ প্রেসিডেন্ট।
রাজনৈতিক মহলের মতে, এই সফরের মূল লক্ষ্য হলো পশ্চিমী নিষেধাজ্ঞা এড়িয়ে সামরিক ও কূটনৈতিক সহযোগিতা আরও মজবুত করা। কিম জং উন জানিয়েছেন, বেলারুশের ওপর পশ্চিমের অন্যায্য চাপের বিরুদ্ধে তারা ঐক্যবদ্ধ। অন্যদিকে, ওয়াশিংটনের সঙ্গে সম্পর্ক স্বাভাবিক করার চেষ্টার মাঝেই কিমের সঙ্গে এই সাক্ষাৎ লুকাশেঙ্কোর এক বিশেষ কূটনৈতিক চাল হিসেবে দেখা হচ্ছে।